1. admin@upokulbarta.news : admin :
রবিবার, ০৩ মার্চ ২০২৪, ০১:০১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
পশ্চিম চর উমেদ ইউপি নির্বাচন চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলে ইভটিজিং বন্ধ করবেন সালেম হাওলাদার ভোলায় সাংবাদিক মহিউদ্দিনের উপর হামলায় গণমাধ্যমে নিন্দা-প্রতিবাদের ঝড় যৌতুকের দাবিতে পুত্রবধূকে মারধরের অভিযোগ শশুর শাশুড়ির বিরুদ্ধে মাছ শিকারে ২ মাসের নিষেধাজ্ঞা শুরু মেঘনা ও তেঁতুলিয়া নদীতে গুরু -আঃ সামাদ ভোলার লালমোহন পশ্চিম চর উমেদ ইউপি নির্বাচন লালমোহন পশ্চিম চর উমেদ ইউপি নির্বাচন শিক্ষার মানোন্নয়ন করতে চান চেয়ারম্যান প্রার্থী অধ্যক্ষ সেলিম নারীর গুণ – আঃ সামাদ দৌলতখানে যুব রেড ক্রিসেন্টে দলনেতা মাশরাফি উপ-নেতা ইমতিয়াজ ও রহিমা মোংলায় ৫ শতাধিক চক্ষু রোগীকে বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা প্রদান

দশমিনায় স্বাক্ষর পরিবর্তন করে ব্যাংক থেকে টাকা উত্তোলনের অভিযোগ

পি.এম রায়হান বাদল
  • আপডেট সময় : বুধবার, ৩ নভেম্বর, ২০২১
  • ৩৬৮ বার পঠিত

উত্তোলন ও আত্মসাৎ করার অভিযোগ উঠেছে প্রধান শিক্ষক ও সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তার (ক্লাস্টার) বিরুদ্ধে। মঙ্গলবার (২ নভেম্বর) উপজেলার ৩৫ নম্বর চরহোসনাবাদ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সভাপতি পি.এম রায়হান বাদল তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহা-পরিচালক বরাবরে এমন লিখিত অভিযোগ করেন। অভিযোগে সোনালী ব্যাংকের এ্যাকাউন্ট স্টেটমেন্ট থেকে ২লাখ ৭০ হাজার টাকা উত্তোলনের সত্যতা পাওয়া যায়।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ২০২০ সালের মার্চ মাস থেকে কোভিড-১৯ এর কারণে সারাদেশে লকডাউনসহ সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করা হয়। এসময় দেশের অন্য সব বিদ্যালয়ের মত উপজেলার ৩৫ নম্বর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ও বন্ধ ঘোষণা করা হয়। বন্ধ হওয়ার পর থেকে বিদ্যালয় রক্ষণাবেক্ষণের জন্য বিভিন্ন সময়ে সরকারি বরাদ্দকৃত টাকা ব্যাংকে জমা হয়। ঐ টাকা বিদ্যালয়ের সভাপতিকে অবহিত না করেই গত বছরের সেপ্টেম্বর মাসের ২ তারিখ ১ লাখ ৯০ হাজার টাকা ও চলতি বছরের আগস্ট মাসের ১৬ তারিখ ৮০ হাজার টাকাসহ দুই ধাপে মোট ২লাখ ৭০ হাজার টাকা প্রধান শিক্ষক মোসা. নজমুন নাহার ও সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা (ক্লাস্টার) মো. খালিদ হোসেন যৌথ স্বাক্ষরে সোনালী ব্যাংক দশমিনা শাখা থেকে উত্তোলন করেন।

এ বিষয়ে বিদ্যালয়ের সভাপতি পি.এম রায়হান বাদল উপকূল বার্তাকে বলেন,‘পূর্ববর্তী কোন রেজুলেশন, আলোচনা ও সভাপতির স্বাক্ষর ছাড়াই প্রধান শিক্ষক ও সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা কিভাবে ব্যাংক থেকে টাকা উত্তোলন করেছে এটা আমার বোধগম্য নয়। এছাড়াও এসএমসি কমিটির কোন রেজুলেশন ছাড়া সোনালী ব্যাংক কিভাবে বিদ্যালয়ের যৌথ হিসাবধারী পরিবর্তন করছে এটাও আমার বোধগম্য নয়।’ উত্তোলনকৃত টাকা দিয়ে উন্নয়ন মূলক কাজের কথা জানতে চাইলে প্রধান শিক্ষক জবাব না দিয়ে তার মত এড়িয়ে যায়।

এ বিষয়ে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোসা. নাজমুন নাহার উপকূল বার্তাকে বলেন, ‘বিদ্যালয়ের কোন বরাদ্দ আসলে সভাপতি আমার কাছে টাকা দাবি করে তাই তাকে বাদ দিয়ে উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তাকে নিয়ে আমি এডহক কমিটি গঠন করি। ঐ টাকা উত্তোলন করে বিদ্যালয়ের উন্নয়ন মূলক কাজে ব্যবহার করা হয়েছে।’

সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা মো. খালিদ হোসেন উপকূল বার্তাকে বলেন, তৎকালীন শিক্ষা কর্মকর্তা এডহক কমিটি গঠন করে পদাধিকার বলে আমাকে সভাপতি বানিয়েছে।

দশমিনা সোনালী ব্যাংকের ব্যবস্থাপক উপকূল বার্তাকে বলেন, সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা ও প্রধান শিক্ষক নাম পরিবর্তন কার্ডে স্বাক্ষর করে এবং নিয়ম অনুযায়ী কমিটির রেজুলেশন দেয়ার কথা থকলেও পরে দেয়ার কথা বলে আর দিয়ে যায়নি।

উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মো. রুহুল আমিন উপকূল বার্তাকে বলেন, ‘করোনা কালীন সময় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধসহ সকল এসএমসি কমিটি গঠন স্থগিত ঘোষণা করা হয়েছে। শিক্ষা কমিটির অনুমোদন ছাড়া কিভাবে এডহক কমিটি গঠন করা হয়েছে তা আমি জানিনা। ব্যাংক থেকে টাকা উত্তোলন কিভাবে করছে সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা ও প্রধান শিক্ষক বলতে পারবে।’

শিক্ষা কমিটির সভাপতি, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আব্দুল আজিজ মিয়া উপকূল বার্তাকে বলেন, ‘এ ধরনের একটি অভিযোগ আমার কাছে আসছে। আমি শিক্ষা কর্মকর্তাকে তদন্ত করার জন্য বলেছি, তদন্ত রিপোর্টের পরে বিষয়টি দেখব।’

এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা