1. admin@upokulbarta.news : admin :
  2. bangladesh@upokulbarta.news : যুগ্ম সম্পাদক : যুগ্ম সম্পাদক
  3. bholasadar@upokulbarta.news : বার্তা সম্পাদক : বার্তা সম্পাদক
বৃহস্পতিবার, ১৮ জুলাই ২০২৪, ১১:২৫ অপরাহ্ন

তজুমদ্দিনে রোপা আমন ধান পরিচর্যায় ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষকরা

উপকূল বার্তা ডেস্কঃ
  • আপডেট সময় : রবিবার, ১৬ অক্টোবর, ২০২২
  • ১২৮ বার পঠিত
তামিম সাদী মান্নান, তজুমদ্দিন(ভোলা) 
ভোলার তজুমদ্দিনে প্রত্যান্ত মাঠ জুড়ে আমন ধানের চাষবাদ হয়েছে। বাম্পার ফলনের আশায় কৃষকেরা জমিতে সার দেয়া, কীটনাশক ছিটানো এবং আগাছা মুক্ত করাসহ রোপা- আমন ধানের পরিচর্যায় ব্যস্ত সময় পার করছেন ।  আবহাওয়া অনূকূলে থাকলে এবং রোগ বালাই আক্রমণ না করলে এবার ভালো ফসল পাওয়ার আশাবাদী কৃষকেরা।
উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, এ বছর তজুমদ্দিন  উপজেলায় ৫ টি ইউনিয়নে ১১ হাজার ৮ ‘শ ২৩ হেক্টর জমিতে আমন ধান চাষের লক্ষমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে উচ্চ ফলনের আশায় এ অঞ্চলের কৃষকরা দেশীয় জাতের পাশাপাশি  বিনা ধান-১৭,  ব্রি-ধান ৫২,৭৬,৭৭,হাইব্রিড ৭৫,৮৭,জাতের উচ্চ ফলনশীল ধানের চাষ করছেন। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে এ বছর উপজেলায় ধান উৎপাদনের নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হবে বলে মনে করছে কৃষি বিভাগ।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, এ বছর মৌসুমের শুরুতেই কাঙ্ক্ষিত বৃষ্টিপাত হওয়ায় ধান চাষের পূর্বপস্তুতি হিসেবে বীজতলা তৈরি করেন এ অঞ্চলের কৃষকরা। ফলে আষাঢ়ের শেষে শ্রাবণের প্রথম রোপা আমন ধানের চাষ অনেকটা বাম্পার ফলনের আশা করছেন কৃষকরা।
সরেজমিন উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে দেখা যায়, কৃষকেরা সকাল থেকে বিকাল পর্যন্ত বিস্তৃর্ণ মাঠজুড়ে রোপা আমন ধানের পরিচর্যা করছেন। একাদিক চাষির সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, সময়মত কাঙ্ক্ষিত বৃষ্টিপাত হওয়ায় এবং এ বছর তেমন কোন রোগবালাই না থাকায় রোপা আমন ধান চাষ নিয়ে বেশ লাভবান হওয়ার আশাবাদী তারা।
উপজেলার শম্ভুপুর ইউনিয়নের  চাষি আবু তাহের বলেন, এ বছর বীজতলার সঙ্কট না হাওয়ায় ও সময়মতো বৃষ্টিপাত হওয়ায় ধান চাষের খরচ কম হচ্ছে। যদি শেষ পর্যন্ত আবহাওয়া অনুকূলে থাকে তবে এ বছর চাষিদের চোখ-মুখে দেখা যাবে হাসির ঝিলিক।
চর কোড়ালমাড়া গ্রামের ধানচাষি মনির মিয়া, বশির মিয়া, আলীসহ স্থানীয় কৃষকরা জানান, আশানুরূপ বৃষ্টিপাত ও আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় বাম্পার ফলন এবং উৎপাদিত ধানের নায্যমূল্য পাওয়ায় আশা করছেন।
উত্তর চাচঁড়া গ্রামের রোপা আমন ধান চাষী মমিনুল ইসলাম বলেন, এ বছর আমি দুই বিঘা জমিতে ধানের চাষ করেছি। জমি চাষ, বীজ, শ্রমিক, সার বাবদ প্রথম অবস্থায় খরচ হয়েছে ৮ হাজার টাকা। এছাড়া কীটনাশক, ধান কাটা ও মাড়াই বাবদ আরো টাকা প্রয়োজন হবে। তবে আবহাওয়া যদি অনুকূলে থাকে তাহলে এ খরচ পুষিয়ে ভালো লাভবান হওয়া যাবে।
তজুমদ্দিন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা অপূর্ব লাল সরকার বলেন, প্রকৃতি সুন্দর থাকায় এবার রোপা আমনের চাষ খুব সুন্দর হয়েছে। শতভাগ আশা করছি রোপা আমন ফলনে সক্ষম হব। এখন মাঠ জুড়ে কৃষকরা পরিচর্যার কাজে ব্যস্ত  সময় কাটাচ্ছে। তবে আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে এ বছর এই উপজেলায় ধান চাষের নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হবে বলে মনে করছি। এছাড়া এ বছর  প্রণোদনার আওতায়  ৮ ‘শ জন কৃষকের মাঝে সার বীজ বিতরণ করা হয়েছে। মাঠ পর্যায়ে থাকা আমাদের মাঠ অফিসারগণ নিয়মিতভাবে কুষকদের উৎসাহ ও পরামর্শ দিয়ে আসছেন।
এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা