1. admin@upokulbarta.news : admin :
মঙ্গলবার, ০৪ অক্টোবর ২০২২, ০৪:১৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
যুবক সজিবঃ যুবকদের অনুপ্রেরণা মানববন্ধন করে হয়রানি ও মানহানি করার প্রতিবাদে ভোলায় সংবাদ সম্মেলন ভোলার ভেদুরিয়ায় ভূমিদস্যু দুলাল বাউলীর বিরুদ্ধে এলাকাবাসীর মানববন্ধন শহীদ ক্যাপ্টেন শেখ কামাল স্পেটিং ক্লাবের উদ্বোধন উপলক্ষে ফুটবল প্রীতি ম্যাচ অনুষ্ঠিত সিদ্ধিরগঞ্জে চুরির অপবাদ দিয়ে ফাঁকা স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর রেখে গাড়ি চালকের ক্ষতির চেষ্টা মেট্রোরেলের দ্বাদশ চালান নিয়ে মোংলা বন্দরে ট্রাম্প জাসদের ৫০ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী ও সুবর্ণ জয়ন্তী উপলক্ষে ভোলায় মশাল মিছিল দশমিনা উপজেলার সিপিপি স্বেচ্ছাসেবকদের মধ্যে গিয়ার বিতরন অনুষ্ঠানে ২০২২ শেখ হাসিনার নেতৃত্বে এদেশে সকল ধর্মের মানুষে শান্তিপূর্ণভাবে বসবাস করছে-এমপি শাওন গানের শুরে নেশাকে না বলুন লালমোহনে মঞ্চ মাতালেন ডি আইজি আক্তারুজ্জামান

বাউফলে মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে নিয়োগ পরীক্ষায় অনিয়ম দুর্নীতি

সহকারী সম্পাদকঃ
  • আপডেট সময় : শুক্রবার, ২ সেপ্টেম্বর, ২০২২
  • ৪৭ বার পঠিত

টি আই অশ্রুঃ

পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা নাজমুল ইসলামের বিরুদ্ধে পূর্ব নওমালা ছালেহিয়া দাখিল মাদ্রাসায় নিরাপত্তা কর্মী নিয়োগ পরীক্ষায় ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ সহ খবর পাওয়া গেছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে থেকে জানা যায়, কালাইয়া রব্বানীয়া ফাজিল মাদ্রাসায় শুক্রবার (০২ সেপ্টেম্বর ) সকাল ১০:১০ মিনিটের সময় লিখিত পরীক্ষা শুরু হয়ে বেলা ১১টার দিকে শেষ হয়। এরপরই জুম্মার নামাজের আগেই ভাইভা পরীক্ষা শেষ করেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন নিয়োগ বোর্ডের সহকারি পরিচালক লুৎফর রহমান, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা নাজমুল ইসলাম, মাদ্রাসার সভাপতি আব্দুর রহমান কুট্টিসহ অন্যান্য শিক্ষক বৃন্দ।

নাম না বলা শর্তে প্রার্থীরা অভিযোগ করে জানান, প্রথমে পরীক্ষার জন্য প্রার্থীর কাছ থেকে ৩০ হাজার করে টাকা নেন। এবং ৫ লক্ষ টাকা জোগাড় করার জন্য পরামর্শ দেন মাদ্রাসা সভাপতি। লিখিত পরীক্ষায় কায়েস নামে একজন পরীক্ষার্থী দুই দুইবার নকল সহ ধরা পড়লেও শিক্ষা কর্মকর্তা সহ গার্ডে থাকা কেউই তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নিয়ে তাকে পরীক্ষায় সহায়তা করেছেন। এবং অন্যান্যদের হুমকি স্বরুপ কথাবার্তা বলেছেন। নকলে যা যা উত্তর লিখে এনেছে তার অবিকল প্রশ্ন ছিল। তাতে বুঝা গেল আগেই তাকে প্রশ্নের ব্যাপারে অবগত করা হয়েছে।

প্রতিবেদক ঘটনাটি গোপন সূত্রে জানতে পেরে কালাইয়া রব্বানীয়া ফাজিল মাদ্রাসায় গেলে সাংবাদিকের উপস্থিতি টের পেয়ে গেটের দরজায় তালা মেরে দেন। যাতে কেউ যেন মাদ্রাসায় ঢুকতে না পারে। এসময় শিক্ষা কর্মকর্তাকে একাধিক বার ফোন করলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

এদিকে কালাইয়া রব্বানীয়া ফাজিল মাদ্রাসার সুপার মাওলানা আব্দুল হাই জানান, আমাকে জানালো এখানে পরীক্ষা হবে তাই আমি উপস্থিত স্বরুপ চাবিকাঠি দিয়েছি এবং পরীক্ষা দেওয়ার ব্যবস্থা করে দিয়েছি।

এপ্রসঙ্গে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা নাজমুল ইসলাম বলেন, এ অভিযোগ মিথ্যা। তবে একজন পরীক্ষার্থীর কাছে কাগজ পাওয়া গিয়েছিল।

এবিষয়ে পটুয়াখালী জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা (ডিইও) প্রতিবেদককে বলেন, এব্যাপারে তদন্ত সাপেক্ষে বিধিমোতাবেক ব্যবস্থা নেয়া হবে।

এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা