1. admin@upokulbarta.news : admin :
শুক্রবার, ০২ ডিসেম্বর ২০২২, ০৯:০১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
মনপুরায় গণমাধ্যমকর্মিদের সাথে যুবদলের নবগঠিত কমিটির মত বিনিময় উত্তর দিঘলদী ইউনিয়ন বিএনপির নতুন কমিটি ঘোষণা করায় আসিফ আলতাফ কে শুভেচ্ছা জানিয়ে আনন্দ মিছিল ভোলা সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি আসিফ আলতাফ সহ ৩৪ জনের জামিনের সময়সীমা বৃদ্ধি এমপি শাওন’র জন্মদিন আজ ভেদুরিয়া চরকালী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ফান্ডের টাকা আত্মসাতের অভিযোগ প্রধান শিক্ষক সিরাজুল ইসলাম এর বিরুদ্ধে ভেদুরিয়ায় নবগঠিত ইউনিয়ন কমিটির আনন্দ মিছিলে দুষ্কৃতিকারীদের অতর্কিত হামলার অভিযোগ লালমোহনে স্বামী কর্তৃক স্ত্রী নির্যাতনের অভিযোগ আরডিএ’র নির্বাহী প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে ২শ ৬ কোটি টাকার কাজে অনিয়ম দুর্নীতির অভিযোগ ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে সুস্থ স্বাস্থ্যের জনশক্তি হিসেবে গড়ে তুলতে হবে সিদ্ধিরগঞ্জ,চৌধুরী বাড়ী বাইতুল মা’মুর জামে মসজিদের পুনঃনির্মান ভিত্তি প্রস্তর উদ্বোধন

সংসার আর চলে না/এভাবে কী জীবন চলতে পারে?

যুগ্ম সম্পাদকঃ
  • আপডেট সময় : মঙ্গলবার, ২ আগস্ট, ২০২২
  • ৬৭ বার পঠিত

মনিরুজ্জামানঃ

আব্দুল খালেক। বাদাম বিক্রেতা। বাসা টবগী ইউনিয়নের মনিরাম বাজার। ঘুরে ঘুরে বাদাম,চাউল ভাজার সাথে তিষি ভাজা,ছোলা বাদাম বিক্রি করেন। প্রতিদিন সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত চলে বিক্রি। এতে ৪০০-৫০০ টাকা আয় করেন। ৫ বছর ধরে এ কাজ করছেন।বর্তমানে এটাকে পেশা ধরে এগিয়ে গেছেন। সংসারে তার পাঁচ সদস্য। ২ মেয়ে ও ছেলে।ছেলে ইয়ামিন ষষ্ঠ শ্রেণীর ছাত্র। বসত ঘর ছাড়া কিছুই নেই তার।

এ কাজ করে সংসার নামক যন্ত্রের ঘানি টানেন। সবার দেখভাল করলো, নিজেরটা দেখার সুযোগ নাই? কেমন চলছে দিনকাল। এমন প্রশ্নে বলেন,আর পারি না।সংসার আর চলছে না। তিনি বলেন,৩-৪ বছর আগেও তার এই আয়ে মোটামুটি সংসার চলতো। এখন সংসারে বেশ টানাপোড়ন। আয়ের সঙ্গে ব্যয়ের বেশ গরমিল। খরচের লাগাম টেনে ধরা যাচ্ছে না । খালেক বলেন, আগে ৩০০-৪০০ টাকাতে ও সংসার চলতো। এহন ৫০০ টাকাতেও চালাতে পারি না।প্রতিদিন জিনিসপত্রের দাম বাড়ছে। ডাল ভাত খাইয়া কোন রকম বাইচা আছি। কোরবানি ঈদ ছাড়া গরুর মাংস কিনে খেতে পারেনি।মাঝেমধ্যে সন্তানদের আবদার মিটাতে বয়লার মুরগী কিনতে হয়।

বর্তমানে যার দাম বৃদ্ধি হয়ে ১৮০ টাকা হয়েছে। ডাল, আলু ভর্তা আর শাক তার পরিবারের নিত্যসঙ্গী। মিলন চন্দ্র দাস সকাল ৯ টায় পৌর বাজারের ব্রিজের উপর জুতা সেলাইয়ের সরঞ্জাম নিয়ে বসেন। ২০/২৫ বছর যাবত এ কাজ করেন।তিনি বলেন, মানুষ আগের মতো আর জুতা সেলাই করেন না। প্রতিদিনের আয় ২০০-২৫০ টাকা। তিনি বলেন, এহন ভালো কিছু কিনে খাইতে পারি না। কোনোদিন ভালো আয় হইলে মাছ কিনতে পারি। নইলে পারি না। সপ্তাহে একদিন মাছ খাওয়া হয়। তিনি বলেন,লাল ডিমের হালে ৪০ টাকা।হাঁসের ডিমের হালি ৫৬ টাকা। মোডাডাল ৬৫ টাকা । ক্যামনে খামু। সব সময় ডাল, আলু দিয়া খাই।

মিলন-খালেক এর মতো নিম্ন আয়ের অসংখ্য মানুষ কষ্টে আছেন। নিম্ন আয়ের মানুষ ছাড়াও ভালো নেই নিম্নমধ্যবিত্ত কিংবা মধ্যবিত্ত শ্রেণির মানুষ। নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বৃদ্ধির কারণে তাদেরও খাদ্য তালিকাসহ জীবনযাপনের পদ্ধতিও কাটছাট করতে হচ্ছে। চাল, ডাল, মাছ, মাংস, ব্রয়লার মুরগি, শাক-সবজি, ফল, মসলা, ও অন্যান্য খাদ্যসামগ্রী কিনতে বিপাকে পড়ছেন ক্রেতারা। মোহাম্মদ নাছির। ছিলেন বই ব্যবসায়ী । করোনার তান্ডবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় জীবনের তাগিদে বনে যান মুদি ব্যবসায়ী। স্বল্প পুঁজিতে সুবিধা করতে পারছেন না।

নাছির বলেন, জিনিসপত্রের দাম বাড়ার কারণে এখন অনেক কিছুই খাওয়া কমিয়ে দিয়েছি। বাহিরে চলাচলে আগে যেখানে রিকশায় যেতাম সেখানে এখন পায়ে হেঁটে বা সাইকেলে চলাফেরা করি। সন্তানের জন্য বাসায় টিচার রাখতে পারছি না। এখন ওর আম্মুই যতটুকু পারে পড়ায়। একটি বেসরকারি কলেজের বানিজ্য বিভাগের সহকারী অধ্যাপক বলেন,যে বেতন পাই।তা দিয়ে মাসের ১৫ দিন চলতে পারি।এরপর আবার টানাটানি। এভাবে কীআর মানুষের জীবন চলতে পারে?

এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা