1. admin@upokulbarta.news : admin :
বুধবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ০১:৫৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
শেখ হাসিনা’র জন্য ঘষিয়াখালী ক্যানেল সুন্দরভাবে চলছে- সিটি মেয়র আ. খালেক দুর্নীতি করলে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না- মেয়র শেখ আ. রহমান ভোলায় রওশন আরা ও রাব্বী হত্যার বিচারের দাবিতে মানববন্ধন ও স্মারকলিপি মোংলায় বীর মুক্তিযোদ্ধা কালীপদ রায়কে গার্ড অব অনার বন্দরে স্বেচ্ছাসেবকদের নিয়ে প্যালিয়েটিভ কেয়ার বিষয়ে সভা অনুষ্ঠিত মনপুরায় ‘মিডওয়াইফ পরিচালিত স্বাস্থ্যসেবা’ প্রকল্পের সমাপনী ও লার্নিং শেয়ারিং কর্মশালা সিদ্ধিরগঞ্জে তাঁতখানা এ্যাথলেটিক্স ক্লাবের উদ্যোগে, শর্টপিচ ক্রিকেট টুর্নামেন্ট সিজন (১) ২০২৪ উদ্বোধন হয়েছে বাইউস্ট ট্রাস মাস্টার অনুষ্ঠিত পথ হারিয়ে ৯৯৯ এ ফোন, ৩১ পর্যটককে উদ্ধার করল পুলিশ আজ পবিত্র শবেবরাত

টেকসই স্যানিটেশন ব্যবস্থা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গুলোর জন্য অত্যন্ত জরুরী,,আঞ্জুমান খান

প্রকাশক
  • আপডেট সময় : বুধবার, ১৩ এপ্রিল, ২০২২
  • ৬৪৭ বার পঠিত

বিশেষ প্রতিনিধিঃ

স্যানিটেশন ব্যবস্থা যদি উন্নত না হয় তাহলে সুস্থ, সবল ও দক্ষ জন সম্পদ পাওয়া সম্ভব নয়।কিন্তু খুবই দুঃখের বিষয় যে আমাদের দেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে এটি প্রয়োজনের তুলনায় খুব ই অপ্রতুল। অনেক জায়গায় আবার মেয়েদের জন্য আলাদা টয়লেটের ব্যবস্থা নেই।যদিও থাকে কোথাও কোথাও আবার দরজার ছিটকানি অকেজো। যেহেতু আজকের কিশোরী ই ভবিষ্যতে একজন মা হবে।তাই একজন সুস্থ মা পেতে হলে তাদের স্বাস্থ্য সুরক্ষার বিষয়ে আমাদের অবশ্যই নজর দিতে হবে। আর এই স্যানিটেশনের অভাবে নারীরা বেশি সমস্যায় ভোগে। অবশ্য পুরুষরাও ভোগে।যেহেতু বাথরুম নোংরা ও দুর্গন্ধময় তাই শিক্ষার্থীরা সেখানে যেতে অস্বস্তিবোধ করে।দীর্ঘক্ষন প্রসাব – পায়খানা আটকে রাখার ফলে ইউরিনারি ট্রাক ইনফেকশন বা মুত্রনালীর সংক্রমনসহ নানা শারীরিক সমস্যায় ভোগে।এটি নারীর প্রজনন ক্ষমতার উপরও নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।এছাড়াও কিডনীতে পাথর তৈরি করে।
সাধারনত দেখা যায় একজন মেয়েকে পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা ও শারীরবৃত্তীয় বিভিন্ন কারনে সারাদিনে পুরুষের তুলনায় একজন নারীকে বেশিবার বাথরুম ইউজ করতে হয়।বিশেষকরে পিরিয়ডকালীন সময়ে কিশোরীদের বেশি বাথরুমে যাবার প্রবনতা লক্ষ্য করা যায়। একটু হাস্যকর হলেও বাস্তব যে অনেক সময় বাথরুম গুলোর পরিবেশ ভূতুরে মনে হয়। স্কুলজীবনে আমাদেরও ধারনা ছিল স্কুলের বাথরুমে ডাইনীর বসবাস।এখন ও সেই একই চিত্র পরিলক্ষিত। যার কারনে মেয়েরা স্কুলে এসে পানি পান করে না, আবার বাসা থেকেও কম পানি পান করে আসে।যেটি তাদের স্বাস্থ্যের জন্য চরম হুমকিসরূপ।শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বাথরুম গুলো যদি সুন্দর পরিবেশ বান্ধব হতো তাহলে একটা বাচ্চা অন্তত পড়ার ভয়েও একটু সেখানে গিয়ে রিল্যাক্স করতে পারত।কিন্তু রিল্যাক্স তো দুরের কথা প্রয়োজনেও তারা সেখানে যেতে পারছে না।
যার ফলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে মেয়েদের উপস্থিতি অনেক সময় কম থাকে।যদিও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে স্যানিটেশন নীতিমালা রয়েছে এবং অনেক সংস্থা এটি নিয়ে কাজ ও করছে।তবুও বাস্তবে এর কোন সঠিক প্রয়োগ নেই।তাই এখন ই সময় আমাদের স্যানিটেশন ব্যবস্থা জোরদার করা।শিক্ষক হিসেবে এর সঠিক ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব আমাদের উপর ই বর্তায়। আমরা শিক্ষক,আমরা Change Maker। তাই আমরা আশাবাদী যে এ বিষয় ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে আমরা সক্ষম হব। আমাদের কর্মস্থল তথা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের স্যানিটেশন ব্যবস্থা শিক্ষার্থীবান্ধব করতে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নিব। আমার প্রতিষ্ঠানে আমি এ ব্যাপারে উদ্যোগ নিয়েছি।বাংলাদেশের সকল স্কুল,কলেজ ও মাদ্রাসার শিক্ষকদেরকেও এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়ার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ জানাচ্ছি।

Anjuman Khan ,Lecturer in English, Choyta Nesaria Fazil Madrasah,Mirzagonj,Patuakhali.,

এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা