1. admin@upokulbarta.news : admin :
রবিবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৪, ০৫:০৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
শেখ হেলাল উদ্দীন সরকারি কলেজে বর্ণাঢ্য আয়োজনে বর্ষবরণ উৎসব উদযাপন তন্বীর প্রেমে পড়ে ঢাকার সুবর্ণা মোংলায় কুমিল্লার মহেশপুর শাহী ঈদগাহে নামাজ অনুষ্ঠিত বোরহানউদ্দিনের তিন গ্রামে ঈদুল ফিতর অনুষ্ঠিত বিধবা নারীকে ঘর করে দিলেন সমাজসেবক রাজিব হায়দার নারায়ণগঞ্জ মহানগরী জামায়াতের উদ্যােগে সুবিধা বঞ্চিতদের মাঝে ঈদ সামগ্রী বিতরণ মনপুরায় নবনির্বাচিত ইউপি সদস্যদের শপথ গ্রহণ দিনের বেলায় রাত নেমে এলো মনপুরায়, আকষ্মিক ঝড় ও শিলাবৃষ্টিতে লন্ডভন্ড বাড়িঘর-গাছপালা, আহত ৮ ভোলায় ঈদুল ফিতর উপলক্ষে জেলা পুলিশের ফ্রি বাস সার্ভিসের শুভ উদ্বোধন ভোলাবাসীকে পবিত্র ঈদ উল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন মজনু মোল্লা

বন্দরে ক্ষুদ্র সমিতির কোটি টাকা নিয়ে লাপাত্তা এক মাস পার হলেও মিলেনি সুরাহা

সহকারী সম্পাদকঃ
  • আপডেট সময় : শনিবার, ৩ জুন, ২০২৩
  • ১৩৯ বার পঠিত
স্টাফ রিপোর্টারঃ
বন্দর নবীগঞ্জ টি হোসেন রোডে শীতলক্ষ্যা ক্ষুদ্র সমবায় সমিতির সাড়ে পাঁচ হাজার সদস্যের ২ কোটি টাকা নিয়ে পালিয়েছে ইসলাম কাজীর ছেলে ২৪ নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মাসুদ রানা(৪৫) মৃত শাহাজাদার ছেলে খোকন (৪২) আবু মিয়ার ছেলে রিজভী (২৩) মৃত শাহজাহান মিয়ার ছেলে জহিরুল (৩৩) মৃত গোলাম মোস্তফার ছেলে নাসির (৩২) এ ঘটনায় গত ২৫ এপ্রিল ভুক্তভোগীদের পক্ষে  নিজাম উদ্দিন ঐ পাঁচজনকে অভিযুক্ত করে বন্দর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করলেও একমাস পার হলেও  মিলেনি কোন সুরাহা।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায় নবীগঞ্জ দীর্ঘদিন  যাবত হাসেম মুন্সি জামে মসজিদের সম্পত্তিতে মাসিক ভাড়ায় শীতলক্ষ্যা ক্ষুদ্র সমবায় সমিতির নিবন্ধন নং ০০০০১৫ নামে সমিতি পরিচালনা করে আর্সছে সমিতির সদস্য প্রতি ৭০ টাকা করে বায়ান্ন সাপ্তাহ মোট তিন তিন হাজার ছয়শত চল্লিশ টাকা প্রদান করেন। সমিতির দেওয়া সঞ্চয়  কার্ড অনুযায়ী ঈদ উল ফিতরের পূর্বে ১৮ এপ্রিল সামগ্রী প্রদান করার কথা থাকলেও অফিসে এসে দেখা যায় বিরাট আকারের তালা রাতের আঁধারেই পালিয়েছে অভিযুক্ত ওই পাঁচজন।
বিক্ষুব্ধ  এলাকাবাসী বলেন এরা শুধু গ্রাহকেরা থেকে সঞ্চয়কৃত টাকাই নেয়নি ওরা বিভিন্ন মানুষের কাছ থেকে ব্যবসার লাভ দেখিয়ে পার্টনার বানিয়ে ও লাখ লাখ হাতিয়ে নিয়েছে।
তথ্য সূত্রে আরো জানা যায় যে অভিযুক্তদের মূল হোতা ইসলাম  কাজীর ছেলে মাসুদ রানার ছোট স্ত্রী স্থানীয় মুরুব্বি কদম রসূল কমিউনিটি সেন্টারের মালিক নিয়াজুল সহ কয়েকজনের সাথে গোপন বৈঠক করেন কিভাবে এলাকাবাসীকে মিমাংসা করা যায়।
আব্দুর রহমান নামে এক গ্রাহক বলেন সমিতির অফিসের পাশেই একটি গোডাউনে বেশ কিছু মালামাল আছে প্রতারকরা না আসলে তো গোডাউন মালিক আমাদের এগুলো দিবেন না। আমরা এবিষয়ে আইন প্রশাসনের সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রতারকদের সঠিক বিচার চাই।
হাসেম মুন্সি জামে মসজিদের কোষাধ্যক্ষ জাকির হোসেন বলেন মসজিদের জায়গায় সমিতির অফিস থাকায় অনেকেই আমাকে ঝরিয়ে মন্তব্য করতে পারে কিন্তু এর কোন ভিত্তি নেই। আপনারা সঠিক তদন্ত করে নিউজ করেন।
এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা