1. admin@upokulbarta.news : admin :
সোমবার, ১৫ অগাস্ট ২০২২, ০৩:২০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
মনপুরায় লঘুচাপ ও পূর্ণিমার জ্যো’র প্রভাবে মেঘনার জোয়ারে নিম্মাঞ্চল প্লাবিত ধামগড় ইউনিয়ন জাতীয় পার্টির ৯ নং ওয়ার্ড পূর্নাঙ্গ কমিটি ঘোষণা ভোলায় নিহত ছাত্রদল সভাপতি নুরে আলম ও রহিমের রুহের মাগফেরাত কামনায় দোয়া মোনাজাত ভোলায় গবাদীপশু পালন, বসতবাড়িতে সবজি ও মাছ চাষ বিষয়ক প্রশিক্ষণ বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করলেও তাঁর স্বপ্নকে মুছে ফেলতে পারেনি খুনিরা-এমপি শাওন বঙ্গবন্ধু না হলে আমরা বাংলার ভূ-খণ্ড দেখতাম না-এমপি শাওন ধামগড় ইউনিয়ন জাতীয় পার্টির ৯ নং ওয়ার্ড পূর্নাঙ্গ কমিটি ঘোষণা শেখ হাসিনা ক্ষুধা ও দারিদ্র্মুক্ত সোনার বাংলা গড়ে তুলতে কাজ করে যাচ্ছেন- এমপি শাওন বরগুনা জেলার আমতলী থানা হতে র‌্যাবের হাতে ০১(এক)জন ইয়াবা ব্যবসায়ী গ্রেফতার। খুলনায় ‘উন্নয়নের সরণিতে পদ্মা সেতু’ গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন

স্বীকৃতি না পাওয়ার কষ্ট একটি প্রকৃত মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহনকারী পরিবারের।

Shaon Shis Khan
  • আপডেট সময় : শুক্রবার, ১০ ডিসেম্বর, ২০২১
  • ১৪০ বার পঠিত

১৯৭১ সালের ৩০ শে নভেম্বর পাক হানাদার বাহিনীর গুলিতে নির্মম নিষ্ঠূরতার শিকার হয়ে নিহত রাবেয়া খাতুনও শহীদ হওয়ার কথা। কিন্তু বরিশাল সদর উপজেলার চরকাউয়া ইউনিয়নের চর আইচা গ্রামের হাজী কাসেম আলী খান এর স্ত্রী রাবেয়া খাতুন জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্বাক্ষরিত সার্টিফিকেট থাকা সত্ত্বেও স্বাধীনতার ৫০ বছরেও পেলো না শহীদ স্বীকৃতি আর তার ছেলে আব্দুর রব খান একজন প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা হয়েও পেল না মুক্তিযোদ্ধার স্বীকৃতি।

সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, শহীদ রাবেয়া খাতুনের ছেলে আব্দুর রব খান একজন প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালে তিনি পাকিস্তানী সেনা বাহিনীতে চাকরীরত ছিলেন। কিন্তু মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি তার এলাকায় এসে সরাসরি মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহন করেন। আব্দুল রব খান সেনাবাহিনীর প্রশিক্ষিত সৈনিক থাকার কারণে সে সরাসরি মৃত বেইজ কমান্ডার আব্দুল মান্নান হাওলাদারের অধীনে বিভিন্ন অপারেশনে যোগদান করেন এবং সাধারণ মুক্তিযোদ্ধাদের প্রশিক্ষণ দেন।

একরাতে রাজাকারদের মদদে পাকিস্তানী বাহিনীরা আব্দুল রব খানের বাড়ি অভিযান চালায় তাকে ধরার জন্য কিন্তু ভাগ্য ক্রমে বেঁচে গেলেও পাকহানাদার বাহিনীরা ওই রাতে তার মাতা রাবেয়া খাতুনকে গুলি করে হত্যা করে। এমন আত্মত্যাগ মায়ের জন্য দেশের জন্য স্বার্থ ছাড়া যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পরে এই দেশকে স্বাধীন করে ছিল মুক্তিযোদ্ধারা। অথচ স্বাধীনতার ৫০ বছরেও বরিশালের রাবেয়া খাতুন পেলো না শহীদ সীকৃতি আর ছেলে আব্দুর রব খান পেলো না মুক্তিযোদ্ধার সম্মাননা।

আব্দুর রব খান উপকূল বার্তাকে জানান, ১৯৯১ সালের পর থেকে বিভিন্ন সময় মুক্তিযোদ্ধা গেজেটে অন্তর্ভুক্ত হবার জন্য তিনি (আব্দুর রব খান) আবেদন করেন। কিন্তু দুর্ভাগ্যবসত স্বাধীনতার পরবর্তী সময় তিনি বেশ কিছু বছর কুয়েতে চাকুরীর সুবাদে অবস্থান করেন এবং ১৯৯১ সালে ইরাক কুয়েত যুদ্ধের সময় তাহার মুক্তিযুদ্ধের সামরিক সনদসহ অন্যান্য কাগজাদী রেখে জীবন বাঁচাতে এক কাপড়ে কুয়েত ত্যাগ করেন। সে প্রমাণ হিসাবে তাহার পাসপোর্ট এবং ভিসা ও সংরক্ষিত আছে। তাছাড়া তার সহ যোদ্ধারা লিখিত ভাবে প্রত্যয়ণ পত্র দিয়েছেন যাহা মুক্তিযোদ্ধা গেজেটের আবেদনের সাথে সংযুক্ত।

আব্দুর রব খান সরেজমিনে তদন্তের জন্য বরিশাল জেলা প্রশাসক বরাবর আবেদন করেছেন। পাশাপাশি তিনি বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ও মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক মন্ত্রী বরাবর আবেদন করেছেন। সর্বশেষ তিনি প্রধানমন্ত্রী বরাবর আবেদন করেন।

উল্লেখ্য, যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা এস, এম মোফাজ্জেল হোসেন সে বাড়িতে থাকাকালীন পাকবাহিনীর হাতে আহত হন। এবং অত্র এলাকায় সবাই জানে আব্দুর রব খান একজন প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা এবং তাহার মাতা মরহুমা শহীদ রাবেয়া খাতুন একজন সত্যিকারের শহীদ।

এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা