1. admin@upokulbarta.news : admin :
রবিবার, ২৬ মার্চ ২০২৩, ১১:০৫ পূর্বাহ্ন

এ কেমন পৈশাচিকতা!

সহকারী সম্পাদকঃ
  • আপডেট সময় : সোমবার, ১৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩
  • ২৭ বার পঠিত

মোঃআবুরায়হানঃ

মোংলায় সংখ্যালঘুদের উপর অমানবিক নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে এক ইউপি সদস্যে সহ স্থানীয় কিছু প্রভাবশালীদের নামে। এসময় নির্যাতিতদের উদ্ধারে এগিয়ে আসা নারীসহ আরও অনেকে হামলার শিকার হয়েছে। তাদেরকে উদ্ধার করে মোংলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেছে স্থানীয়রা।

শনিবার (১১ ফেব্রুয়ারি) সকালে উপজেলার চাঁদপাই ইউনিয়নের কাইনমারী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এঘটনায় গ্রামবাসীর মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

এ বিষয়ে মোংলা থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করেছেন মিলন হালদার নামে এক যুবক। অভিযোগে জানা যায়, স্থানীয় কিছু প্রভাবশালীদের সাথে ঘেরের জমি নিয়ে দীর্ঘদিন বিরোধ চলে আসছে মিলনের। গতকাল মিলনের মায়ের সমাধির কাজ করছিলো হঠাৎ সেলিম রেজা বাচ্চু, সুলতান হাওলাদার ও হাসেম ফকির মিলনের মায়ের লাশের পাশ থেকে মিলন কে ডেকে নিয়ে তাদের নের্তৃত্বে ১০/১৫ জন দেশীয় অস্ত্রসহ হত্যার উদ্যেশ্যে মিলনের উপর অতর্কিত হামলা চালায়। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করতে আসলে স্থানীয় বিজলী রানীর পরনের কাপড় ছিড়ে তার শ্লীলতাহানি করে।

স্থানীয়রা জানান, শনিবার সকালে মিলনের বাড়ি থেকে তার মায়ের লাশের পাশ থেকে জোরপূর্বক তুলে নেয় চাঁদপাই ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডের মেম্বার সুলতান হাওলাদার, সেলিম রেজা বাচ্চু ও তার দলবল। পরে তাকে ১৫/২০ জন লোক বেধড়ক মারধরসহ শারিরিক নির্যাতন করে। পরে তাকে বিভিন্ন ভয় ভীতি দিয়ে তার মাছের ঘের কেটে দেয়। এদিকে ইউপি সদস্য সুলতান হাওলাদার ও সেলিম রেজা বাচ্চুর হামলায় আহতদের অবস্থা আশংকাজনক বলে জানান স্থানীয়রা।

এ বিষয়ে সেলিম রেজা বাচ্চুর কাছে মুঠোফোনে জানতে চাইলে তিনি এ অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ওরা আমার ঘেরে গিয়ে মারামারি করছে। আমার লোকজনরে তারা মারধর করছে। আমি এর চেয়ে কিছুই যানি না।

এর আগে গত বছরের শনিবার (১৬ এপ্রিল) রাত পৌনে একটার দিকে দুই ভাইকে মারধরের অভিযোগ এনে ইউপি সদস্য মো. সুলতান হাওলাদার ও তার ছেলে জাকির হাওলাদারসহ ১৪ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন কুমুদ সরকার। সকালে বিনোদ সরকার ও বিপ্লব সরকারকে মারধর করে জাকির হাওলাদার ও তার লোকজন। পরেরদিন রোববার (১৭ এপ্রিল) সকালে মোংলা উপজেলার কানাই নগর এলাকার জোড়া ব্রিজ এলাকা থেকে সুলতান হাওলাদারের ছেলে জাকিরকে গ্রেফতার করে মোংলা থানা পুলিশ

এ খবর পেয়ে আজ ঘটনাস্থলে পৌঁছায় মোংলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মাদ মনিরুল ইসলাম। এসময় তিনি বলেন, পুলিশ ঘটনাস্থল ও হাসপাতালে পৌছে অহতদের খোঁজ-খবর নিয়েছে।
তিনি আরও বলেন, তদন্তের পর তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা