1. admin@upokulbarta.news : admin :
সোমবার, ০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৩, ০৫:৩৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
তজুমদ্দিনে সাদিয়া সমাজকল্যাণ ফাউন্ডেশনের কম্বল বিতরণ চরফ‍্যাসনে মানুষের কাটা হাত উদ্ধার করেছে পুলিশ মেঘনায় মৎস্য অফিসের অভিযানে আটককৃত মালামাল বিক্রি করার অভিযোগ আ’লীগ সরকারী দল নয়, দলের সরকার হয়ে দেশ চালাচ্ছে বলেই এত উন্নয়ন; শিল্প মন্ত্রী মোহনপুরে রনি বাহিনী অস্ত্র ঠেকিয়ে টাকা ছিনতাইয়ের অভিযোগ মঠবাড়িয়া রিপোর্টার্স ইউনিটির বনভোজন সম্পন্ন ভোলার শিবপুরে পূর্ব শত্রুতার জেদ ধরে প্রতিপক্ষকে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানির অভিযোগ হাঁস পালন পদ্ধতি ফকিরহাট কাকডাঙ্গা ১২তম বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ কক্সবাজারে তানযীমুল উম্মাহর বার্ষিক ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক চূড়ান্ত প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত

১০ ডিসেম্বর আন্তর্জাতিক মানবাধিকার দিবস ২০২২

বরগুনা প্রতিনিধিঃ
  • আপডেট সময় : শুক্রবার, ৯ ডিসেম্বর, ২০২২
  • ৫৫ বার পঠিত
পানি ও স্যানিটেশনের মানবাধিকার কোথায়?

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে ১০ ডিসেম্বর, ১৯৪৮ সালে মানবাধিকারের উপর সার্বজনীন ঘোষণার খসড়া সিদ্ধান্তটি অনুমোদিত হয়। সেই সময় থেকে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ এই দিবসটি পালন করে আসছে। বাংলাদেশও এর বাহিরে নয়। ফলাফলের দিক থেকে তেমন পরিবর্তন দৃষ্টিগোছর হচ্ছে বলে মনে হয় না। পৃথিবীর বিভিন্ন বড় দেশগুলির দিকে লক্ষ করলে দেখা যায় তারা মানবাধিকার রক্ষার চেয়ে লংগন করে বেশি। অতচ তারা মানবাধিকার রক্ষার স্বচেষ্ট হলে ছোট দেশগুলো আরো কার্যকর ভুমিকা রাখতে সক্ষম হতো। উন্নত দেশগুলির নিকট আমরা সেই আশাই করছি। সারা পৃথিবীতে বিভিন্নভাবে মানবাধিকার লংগিত হচ্ছে। আমরা যদি নিরাপদ পানি ও স্বাস্থ্যসম্মত টয়লেটের কথা বিবেচনা করি তাহলে দেখা যায় সারা পৃথিবীতে প্রায় ৯০-১০০ কোটি মানুষ নিরাপদ পানি পান করতে পারছে না।সমপরিমান মানুষ বা তার চেয়েও বেশি মানুষ টাকার অভাবে স্বাস্থ্যসম্মত টয়লেট ব্যবহার করতে পারছে না। পানি ও স্যানিটেশনের অধিকার কি মানবাধিকারের মধ্যে পড়ে না। এই বিষয়গুলি কেন আমাদের রাষ্ট্র পরিচালনায় যারা আছেন তাদের কেন চোখে পড়ে না ভুক্তভোগীদের নিকট এর উত্তর জানা নাই।
প্রতি বছর ১০ ডিসেম্বর আসে ধুমধাম করে ব্যানার, রেলী আলোচনা মাধ্যমে শেয হয়ে যায়। আসলে ফলাফল তেমন কিছু হয় বলে মনে হয় না। আলোচনার মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে মানবাধিকার রক্ষায় কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া এখনই সময়।দূষিত পানি পান করে প্রতি বছর ১৫ লাখ শিশু প্রাণ হারাচ্ছে৷ অস্বাস্থ্যকর টয়লেট ব্যবহার করে শিশু, নারী, বৃদ্ধসহ নানা বয়সের মানুষ আরো অনেক বেশি মারা যাচ্ছে। এই বিষয়গুলির প্রতি কি উন্নত দেশ কি অনুন্নত দেশ গুরুত্ব দিতে দেখা যাচ্ছে খুব কম। সারা পৃথিবীতে বসবাসকারী অনঅগ্রসর/ পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠী আাশা করছে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার দিবস ২০২২ এ পানি ও সানিটেশন এর মানবাধিকারের বিষয়গুলি অগ্রাধিকার পাবে।
বাংলাদেশের পানি ও স্যানিটেশন এর মানবাধিকারের অবস্থা আরো নাজুক। বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছে আজ থেকে ৫১ বছর আগে। ২০২২ ইং সাল পর্যন্ত নিরাপদ পানির কভারেজ আছে ৫৯ ভাগ, স্যানিটেশন কভারেজ ৩৯ ভাগ। এ থেকে বুঝা যায় আমাদের স্যানিটেশন এর মানবাধিকারের অবস্থা কোন পর্যায়ে আছে। জাতিসংঘ ২০১০ ইং সালে পানি ও স্যানিটেশনের মানবাধিকারের বিষয়টি পাস করেছেন এবং সেখানে পৃথিবীর অন্যান্য দেশের মত বাংলাদেশও স্বাক্ষর করেছে। নিরাপদ পানির ক্ষেত্রে কিছুটা নজর দিতে দেখা গেলেও অতিদরিদ্র জনগোষ্ঠীর স্যানিটেশন বা স্বাস্থ্যসম্মত টয়লেট নিশ্চিতে উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ নিতে দেখা যাচ্ছে না। অস্বাস্থ্যকর টয়লেট ব্যবহারের ফলে প্রতি বছর শিশু, নারী, বৃদ্ধসহ অনেক মানুষ প্রান হারায়। বাংলাদেশে প্রতিবছর ৬৬ লাখ মানুষ চিকিৎসা খরচ করতে যেয়ে দরিদ্র সীমার নীচে চলে যায়। এর বেশির ভাগই অস্বাস্থ্যকর টয়লেট ও অনিরাপদ পানি পান করে রোগে আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসা খরচ করে নিঃস্ব হয়ে দরিদ্র সীমার নীচে চলে যায়। এটা কি মানবাধিকার লংগন নয়। স্থানীয় সরকার, সংশ্লিষ্ট সেবাদানকারী কতৃপক্ষ বিষয়টির প্রতি গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করলে অনগ্রসর জনগোষ্ঠী এই সমস্যার থেকে পরিত্রান পেতে পারে বলে মনে করেন সুশীল সমাজ প্রতিনিধিগন।
বাংলাদেশে ১০ ডিসেম্বর ২০২২ আন্তর্জাতিক মানবাধিকার দিবস উদযাপন উপলক্ষে ভুক্তভোগী পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠী ( উপকূল অঞ্চল, চরাঞ্চলে, হাওয়ার অঞ্চল, বরেন্দ্র অঞ্চল ও পাহাড়ি অঞ্চলের মানুষ আসা করছে ২০২০ ইং সালের সরকারের পানি ও স্যানিটেশনের বিষয়ক কৌশল পত্রের আলোকে স্থানীয় সরকার বা সংশ্লিষ্ট সেবাদানকারী কতৃপক্ষের মাধ্যমে বড় ধরনের প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে এই সমস্যার সমাধান করতে পারে। সরকার দেশে অনেক বড় বড় প্রকল্প বাস্তবায়ন করে আসছে। পানি ও স্যানিটেশনের মানবাধিকার বিবেচনায় নিয়ে বিশেষ করে স্যানিটেশন এর নাজুক অবস্থার উন্নয়নে বা স্যানিটেশন খাতে বিনিয়োগ করে এই অবস্থার উন্নয়ন করতে পারে। মনে রাখতে হবে এই খাতে বিনিয়োগ করলে স্বাস্থ্য খাতে ব্যয় কমে যাবে। এই দিবস উপলক্ষে ভুক্তভোগীরা জাতীয় সংসদের স্যানিটেশন ও পানি সরবরাহ বিষয়ক স্থায়ী কমিটি অথবা জাতীয় সংসদের যে কোন সদস্য বিল আকারে উপস্থাপনের মাধ্যমে বাজেট বরাদ্দের ব্যবস্থা করে বাস্তবায়ন করার জন্য বিনয়ের সাথে দাবি করছে।

এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা