1. admin@upokulbarta.news : admin :
সোমবার, ০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৩, ০৫:১৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
তজুমদ্দিনে সাদিয়া সমাজকল্যাণ ফাউন্ডেশনের কম্বল বিতরণ চরফ‍্যাসনে মানুষের কাটা হাত উদ্ধার করেছে পুলিশ মেঘনায় মৎস্য অফিসের অভিযানে আটককৃত মালামাল বিক্রি করার অভিযোগ আ’লীগ সরকারী দল নয়, দলের সরকার হয়ে দেশ চালাচ্ছে বলেই এত উন্নয়ন; শিল্প মন্ত্রী মোহনপুরে রনি বাহিনী অস্ত্র ঠেকিয়ে টাকা ছিনতাইয়ের অভিযোগ মঠবাড়িয়া রিপোর্টার্স ইউনিটির বনভোজন সম্পন্ন ভোলার শিবপুরে পূর্ব শত্রুতার জেদ ধরে প্রতিপক্ষকে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানির অভিযোগ হাঁস পালন পদ্ধতি ফকিরহাট কাকডাঙ্গা ১২তম বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ কক্সবাজারে তানযীমুল উম্মাহর বার্ষিক ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক চূড়ান্ত প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত

ভোলায় পনের বছর যাবৎ তুষ পদ্ধতিতে ডিম ফুটাচ্ছেন শেফালী বেগম

মোঃ মিজানুর রহমান, সিনিয়র সমন্বয়কারী, কোস্ট ফাউন্ডেশন
  • আপডেট সময় : শনিবার, ৩ ডিসেম্বর, ২০২২
  • ১৫০ বার পঠিত

মোঃ মিজানুর রহমানঃ

জেলার চরফ্যাশনের দক্ষিণ আইচার শেফালী বেগম পনের বছর যাবৎ এই প্রযুক্তিতে এক লক্ষ ১৫ হাজার ডিম থেকে ৮০ হাজার হাঁসের বাচ্চা ফুটিয়েছেন। কোস্ট ফাউন্ডেশনের এমএফটিএস কর্মসূচির মাধ্যমে নারায়নগঞ্জের চাষাড়ায় সরকারী হাঁসের কৃত্রিম প্রজনন খামারের ৩০ দিনের  প্রশিক্ষণ গ্রহন করেন।

ধানের তুষের মধ্যে হাঁসের ডিম রেখে দিলেই ২৮ দিনে ফুটে বাচ্চা। এ প্রযুক্তিতে বৈদ্যুতিক বাল্ব বা হিটারের প্রয়োজন হয় না ফলে লোড শেডিংয়ের ঝামেলা নেই এবং বাড়তি খরচও নেই প্রযুক্তিটিতে।মাত্র ৮-১০ হাজার টাকা খরচ করে বাঁশ, চালনী, হ্যারিকেন, কাঠ, বস্তা ও তুষের মাধ্যমে এই হ্যাচারী তৈরী করা যায়। হ্যাচারীতে ডিমের যোগান আসে মডেল ব্রিডার হতে, যেখানে ৭:১ অনুপাতে হাঁসা ও হাঁসী পালন করা হয়।

মডেল ব্রিডার হতে সংগ্রীত ডিম লাইটের আলোতে ভ্রæণ পরীক্ষা করে হ্যাচারীর সাটার বক্সে স্থাপন করা হয় ১৮ দিন পর হ্যাচিং বেডে স্থানান্তর করা হয়। চার দিন পর ক্যান্ডেলিং করে যে সকল ডিমে জাইগোট তৈরী হয় নাই সেই সকল ডিম খাবার উপযোগী থাকে। চার ঘন্টা পর পর ক্যান্ডেলিং করাই হলো এ প্রযুক্তির একমাত্র কাজ। শেফালী বেগম পনের বছর যাবৎ এ প্রযুক্তিতে বাচ্চা ফুটিয়ে যাচ্ছেন। বর্তমানে তার হ্যাচারীতে প্রতি মাসে ডিম বসানোর ক্ষমতা আট হাজার, প্রতিটি ডিমের মূল্য ১৫ টাকা হিসাবে মোট দাম এক লক্ষ বিশ হাজার টাকা এবং উর্বরতার হার ৭৫% হিসাবে ছয় হাজার বাচ্ছা যার বিক্রয় মূল্য ৩ লক্ষ ৭৫ হাজার ৫শত টাকা।

শেফালী বেগম জানান হ্যাচারী থেকে প্রতি মাসে আয় ৩০ হাজার টাকা। বছরে বর্ষায় দুই মাস ও শীতে দুই মাস ব্যতীত আট মাসই হ্যাচারী ডিম বসানো যায়। তিনি আরও জানান, কোস্ট ফাউন্ডেশন শুরু থেকে হ্যাচারীর সার্বিক কারিগরি সহযোগীতা করে আসছে। ভবিষ্যতে আধুনিক প্রযুক্তি ইনকিউবেটর এর মাধ্যমে হ্যাচারী সম্প্রাসারনের পরিকল্পনা রয়েছে।

এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা