1. admin@upokulbarta.news : admin :
শুক্রবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২২, ০৯:৩৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
কপ ২৭ আলোচ্যসূচিতে ক্ষয়-ক্ষতি প্রসঙ্গ অন্তর্ভুক্ত করার জন্য বাংলাদেশকে জোর অবস্থান নেওয়ার দাবি নাগরিক সমাজের Civil Societies demanded strong government position to include Loss & Damage in CoP 27 agendas সিদ্ধিরগঞ্জে মাদক ও কিশোর অপরাধকে না বললো ৪০০ শিক্ষার্থী কেরানীগঞ্জে বাস্তবায়ন হচ্ছে বিষমুক্ত সবজি উৎপাদনের কার্যক্রম মোংলায় স্কুল ছাত্রীকে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগ, থানায় মামলা ভোলা জেলা যুবলীগ ও অন্যান্য আওয়ামী সহযোগী সংগঠনের আয়োজনে প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিন পালিত শেখ হাসিনা বাঁচলে বাংলাদেশ বাঁচবে, উন্নয়ন অব্যাহত থাকবে-এমপি শাওন মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের আয়োজনে প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিন উদযাপন ভোলায় জেলে পরিবারকে বিকল্প পেশায় রূপান্তর করার উদ্দেশ্যে কর্মশালা অনুষ্ঠিত লালমোহনে বর্ণাঢ্য আয়োজনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৭৬ তম জন্মদিন পালিত

লালমোহন ফরাজগঞ্জ ইউনিয়নে চাল না পেয়ে ফেরত গেল জেলে পরিবার

উপকূল বার্তা ডেস্কঃ
  • আপডেট সময় : বুধবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২২
  • ২৬ বার পঠিত

পারভীন আক্তার, লালমোহনঃ

ভোলার লালমোহন উপজেলার ফরাজগঞ্জ ইউনিয়নে সমুদ্রগামী জেলেদের মাঝে প্রধানমন্ত্রীর উপহার চাল না পেয়ে ফেরত গেল প্রায় ১১শ” জেলে পরিবার। বুধবার সকালে ফরাজগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদে চাল নিতে আসেন সমুদ্রগামী জেলেরা। স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান ও সদস্যদের মধ্যে সমন্বয়হীনতার কারণে চাল বিতরণ স্থগিত রাখা হয়।

খবর পেয়ে লালমোহন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যক্ষ গিয়াস উদ্দিন আহমেদ ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার পল্লব কুমার হাজরা ইউনিয়ন পরিষদে উপস্থিত হয়ে সঠিকভাবে তালিকা প্রনয়ণ করে পরবর্তীতে জেলেদের মাঝে চাল বিতরণ করার সিদ্ধান্ত হয়। এদিকে ফরাজগঞ্জ ইউপি চেয়ারম্যান ফরহাদ হোসেন মুরাদ বলছেন, পরিষদের কয়েকজন সদস্য জেলেদের নামের চাল আত্মসাৎ করে আবার তাদেরকে চাল নিতে পরিষদে পাঠিয়েছে। যে কারণে এ জটিলতার সৃৃষ্টি হয়েছে। অপরদিকে পরিষদের কয়েকজন সদস্য বলছেন, চেয়ারম্যান প্রতি ওয়ার্ডে সদস্যদেরকে ৪৫টি করে কার্ড দেয়া হয়। একটি ওয়ার্ডে জেলে রয়েছে ২/৩শ” বাকী কার্ড চেয়ারম্যান নিয়ে যায়। এ ইউনিয়নে সমুদ্রগামী ১১শ” জেলে পরিবার রয়েছে।

জেলেরা বলছেন, এখানে প্রকৃত জেলেদের নামের তালিকা না করে অনেক ব্যবসায়ীদের নামে জেলে কার্ড করা হয়েছে। বিভিন্নভাবে এক জেলের নামের কার্ড অন্য জেলের কাছে বিক্রির অভিযোগও উঠেছে। সোহাগ মাঝি নামে এক জেলে জানান, তার নামে কোন কার্ড করা হয়নি। খোরশোদ আলম মাঝির নামের কার্ডটি তিনি ২নং ওয়ার্ড চৌকিদার বাবুলের কাছ থেকে ৮শ” টাকা দিয়ে কিনে নিয়েছেন। চেয়ারম্যান ও সদস্যদের সমন্বয়হীনতার কারণে চাল না পেয়ে ফেরত যাওয়া জেলেদের মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করছে।

এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা