1. admin@upokulbarta.news : admin :
মঙ্গলবার, ০৪ অক্টোবর ২০২২, ০৪:১৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
যুবক সজিবঃ যুবকদের অনুপ্রেরণা মানববন্ধন করে হয়রানি ও মানহানি করার প্রতিবাদে ভোলায় সংবাদ সম্মেলন ভোলার ভেদুরিয়ায় ভূমিদস্যু দুলাল বাউলীর বিরুদ্ধে এলাকাবাসীর মানববন্ধন শহীদ ক্যাপ্টেন শেখ কামাল স্পেটিং ক্লাবের উদ্বোধন উপলক্ষে ফুটবল প্রীতি ম্যাচ অনুষ্ঠিত সিদ্ধিরগঞ্জে চুরির অপবাদ দিয়ে ফাঁকা স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর রেখে গাড়ি চালকের ক্ষতির চেষ্টা মেট্রোরেলের দ্বাদশ চালান নিয়ে মোংলা বন্দরে ট্রাম্প জাসদের ৫০ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী ও সুবর্ণ জয়ন্তী উপলক্ষে ভোলায় মশাল মিছিল দশমিনা উপজেলার সিপিপি স্বেচ্ছাসেবকদের মধ্যে গিয়ার বিতরন অনুষ্ঠানে ২০২২ শেখ হাসিনার নেতৃত্বে এদেশে সকল ধর্মের মানুষে শান্তিপূর্ণভাবে বসবাস করছে-এমপি শাওন গানের শুরে নেশাকে না বলুন লালমোহনে মঞ্চ মাতালেন ডি আইজি আক্তারুজ্জামান

আমন রোপণে ব্যস্ত বোরহানউদ্দিনের চাষিরা

উপকূল বার্তা ডেস্কঃ
  • আপডেট সময় : শনিবার, ৩ সেপ্টেম্বর, ২০২২
  • ২৬ বার পঠিত

জেএম.মমিন, বোরহানউদ্দিন ( ভোলা):
আমন রোপণে ব্যস্ত সময় পার করছেন ভোলার বোরহানউদ্দিনের আমন চাষিরা । অল্প জমিতে বেশি পরিমান ফলনের জন্য পরিবেশসহিষ্ণু উচ্চফলনশীল ধানের জাত গ্রহণ করছেন তারা । এছাড়া পর্যাপ্ত সার, ঔষধ মজুত থাকা ও অভ্যন্তরিণ উৎপাদন বাড়াতে কৃষকরা উদ্বুদ্ধ হয়ে ঝুকছে আমন আবাদে।
বোরহানউদ্দিন উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়,চলতি বছরে আমন মৌসুমে উপজেলায় ১৮ হাজার ৫ শত হেক্টর জমিতে উপশী এবং ২ হাজার ৯শত হেক্টর জমিতে স্থানীয় জাতের আমন আবাদের লক্ষমাত্রা নির্ধারণ করা হয়। যার জন্য বীজতলার লক্ষ্যমাত্রা নিধার্রণ করা হয় ৯২০ হেক্টর । অর্জন হয়েছে ১২১০ হেক্টর। ইতিমধ্যে তাদের লক্ষ্যমাত্রা ৮০ ভাগ অর্জিত হয়েছে।
সরেজমিনে বড় মানিকা ইউনিয়নের ৩ নং ওয়ার্ডে সংশ্লিষ্ট ব্লকের কৃষক মালেক, এছহাক আলী ও রেশাদ আলী জানান তারা যথাক্রমে ৩,২,১ একর জমি আমন চাষের আওতায় আনেন।যার প্রায় ৭০ ভাগ রোপণ করা হয়েছে। তাদের কাছে জনপ্রিয় জাত হলো ব্রিধান-৫২ এবং বিআর ২২। ফলন বেশি,চাল লম্বা ও মোটা।সার ও কীটনাশক কম লাগে। তারা যথাক্রমে ৩,২,১ একর জমিতে ধান আবাদ করবেন। এছাড়া ব্রি ধান ৫০,৭৩,৭৫, ৭৬,৭৮,৮৯,৯৩,৯৫ বিনা ধান-১৭, ২০ এবং স্থানীয় কার্তিক সাইল, মধুমালতি, সাদা মোটা, সাদা চিকন, রাজাসাইল,কাজল সাইল,কালিজিরা ধানের চাষ হবে বলে জানান।
কুতুবা ইউনিয়নের লক্ষীপুর গ্রামের চাষি অহিদ সর্দ্দার জানান,তিনি ৩ একর, মোতাহার আড়াই একর ও জলিল দেড় একর জমিতে চাষ করেন। তারা বলেন,সার ,ঔষধে সমস্যা হয় না।তাছাড়া কোন সমস্যার পড়লে কৃষি অফিসার তাকে সহযোগিতা করেন ।বড় মানিকা বাটামারা গ্রামের কৃষাণি সুমাইয়া বেগম বলেন,১ জমিতে তিনি এবার আমন আবাদ শুরু করছেন। সাচড়া ইউনিয়নের ৩ নং ওয়ার্ডের বর্গাচাষি হরজন আলী( ৫৫)জানান,৪ একর জমিতে তিনি বিআর- ২২ জাতের ধান রোপণ।
টবগী ইউনিয়নের নুর হোসেন হাওলাদার,কাচিয়া ইউনিয়নের উত্তম কুমার দাস,পক্ষিয়া ইউনিয়নের নাছির,হাবিবুল্যাহ জানান,তারা আউশের চেয়ে আমন চাষ বেশি করেছেন।চলতি বছর ফলন ও দাম বেশি পাওয়ায় তারা আমন চাষে আগ্রহী হন।এছাড়া ব্রি-৫২ জাতের ধানটি জলসহায়ক এবং বেশি ফলন দেয় বিধায় তারা আমন চাষে বেশি আগ্রহী হয়েছেন।
সাচড়া ৬ নং ওয়ার্ডের বাথান বাড়ির কৃষক শাফিজল মীর, জানান ৮ একর জমির মধ্যে ৬ একর জমিতে আমন ধান রোপন সম্পন্ন হয়েছে ৷ একই গ্রামের ইউসুফ কাজি, হোসেন ও আঃ মজিদ জানান, চলতি মৌসুমের শুরুতে অনেকের বীজ তলা দীর্ঘদিন জোয়ার ও বৃষ্টির পানিতে তলিয়ে থাকায় বীজতলা ক্ষতিগ্রস্ত হয় ৷
উপসহকারি উদ্ভিদ সংরক্ষণ অফিসার ফিরোজ আলম,উপসহকারি কৃষি কর্মকর্তা মিজানুর রহমান রনি,খায়রুল আলম মুন্সি জানান,তাদের ব্লকগুলো আমন রোপনে ব্যস্ত কৃষকরা এখানে ইতিমধ্যে প্রায় ৭৫ ভাগ জমিতে চারা রোপণ করা হয়ে গেছে। ব্রি-৫২ ধানটি জলসহিষ্ঞু ও বিআর-২২ আলোক সংবেদনশীল, ফলন ভালো বিধায় তারা কৃষকদেরকে এটা চাষে পরামর্শ দিয়েছেন। এ দুটোর হেক্টর প্রতি উৎপাদন ৫টনের বেশি বলে জানান।
বোরহানউদ্দিন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ এইচএম শামীম জানান, বৈষ্ণিক পরিস্থিতি সামনে রেখে আমাদেরকে উৎপাদন বাড়ানোর বিকল্প নেই । তাই স্থানীয় জাত পরিহার করে, নতুন নতুন আধুনিক জাত নির্বাচন করতে হবে।উৎপাদনকে নিরাপদ করতে আধুনিক চাষাবাদের দিকে এগুতে হবে ৷

এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা