1. admin@upokulbarta.news : admin :
শুক্রবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২২, ০৯:৩৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
কপ ২৭ আলোচ্যসূচিতে ক্ষয়-ক্ষতি প্রসঙ্গ অন্তর্ভুক্ত করার জন্য বাংলাদেশকে জোর অবস্থান নেওয়ার দাবি নাগরিক সমাজের Civil Societies demanded strong government position to include Loss & Damage in CoP 27 agendas সিদ্ধিরগঞ্জে মাদক ও কিশোর অপরাধকে না বললো ৪০০ শিক্ষার্থী কেরানীগঞ্জে বাস্তবায়ন হচ্ছে বিষমুক্ত সবজি উৎপাদনের কার্যক্রম মোংলায় স্কুল ছাত্রীকে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগ, থানায় মামলা ভোলা জেলা যুবলীগ ও অন্যান্য আওয়ামী সহযোগী সংগঠনের আয়োজনে প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিন পালিত শেখ হাসিনা বাঁচলে বাংলাদেশ বাঁচবে, উন্নয়ন অব্যাহত থাকবে-এমপি শাওন মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের আয়োজনে প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিন উদযাপন ভোলায় জেলে পরিবারকে বিকল্প পেশায় রূপান্তর করার উদ্দেশ্যে কর্মশালা অনুষ্ঠিত লালমোহনে বর্ণাঢ্য আয়োজনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৭৬ তম জন্মদিন পালিত

রোহিঙ্গাদের আগমনে টেকনাফের জেলে পরিবার বিপাকে

কক্সবাজার প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : শুক্রবার, ২৬ আগস্ট, ২০২২
  • ৫৫ বার পঠিত

 কক্সবাজার প্রতিনিধিঃ

কক্সবাজার জেলার জেলে পরিবারের জীবন-মান উন্নয়নে কাজ করছে SSF Gender Mainstreaming Project এর মাধ্যমে দেশের স্বনামধন্য ও জেলে বান্ধব প্রতিষ্ঠান কোস্ট ফাউন্ডেশন। গতকাল  কোস্ট ফাউন্ডেশনের যুগ্ম পরিচালক মুজিবুল হক মনির কক্সবাজার জেলার টেকনাফ উপজেলার জেলে পরিবারের সদস্যদের খোজ খবর নেন, বিকালে ৩ ঘটিকায় জেলে পরিবারের সদস্যদের  নিয়ে মতামত সভা করেন,সভায় কক্সবাজার কোস্ট ফাউন্ডেশনের জেলা টিম লিডার মোঃ জাহাঙ্গীর আলম মতামত  সভায় উপস্থিত ছিলেন।

আলোচনা সভায় বক্তরা বলেন, কক্সবাজার জেলায় নিবন্ধিত জেলেদের কক্সবাজার সদর উপজেলার ৯ হাজার ৬২২ জন, চকরিয়ার ৫ হাজার ৮৫৭ জন, পেকুয়ার ৪ হাজার ৯৬৭ জন, মহেশখালীর ১৪ হাজার ৪৪২ জন, টেকনাফের ৭৭৮৩ হাজার ৬৮৩ জন, উখিয়ার ৩ হাজার ৮৯২ জন, রামুর ২ হাজার ৭৭৩ জন ও কুতুবদিয়ার ১০ হাজার ৯৫৯ জন আছেন।

টেকনাফ উপজেলা সহকারী মৎস্য অফিসার জানান, টেকনাফে ৭৭৮৩ জন নিবন্ধিত জেলে ও ইঞ্জিন-হস্তচালিত প্রায় ২ হাজার ফিশিং ট্রলার-নৌকা রয়েছে। যারা মূলত সাগর ও নদীতে মাছ শিকারের উপর নির্ভরশীল।

যাতে এই পাড় থেকে কোন রোহিঙ্গা মিয়ানমারে গিয়ে কোন ঘটনা ঘটাতে না পারে আবার সেখান থেকে রোহিঙ্গারা যাতে এদেশে অনুপ্রবেশ করতে না পারে। তবে এ ব্যবস্থা সাময়িক বলে জানান তিনি।

এদিকে জেলেরা সাগরে যেতে না পারায় এর প্রভাবে মাছের বাজারে পড়েছে । হিমায়িত মাছ ও খাল-বিল-পুকুরের মাছ দিয়ে বাজারের চাহিদা মেঠানোর চেষ্টা করছে মাছ ব্যবসায়ীরা।

উপস্থিত  মাছ ব্যবসায়ী জানান, টেকনাফের মানুষ সাগর ও নদীর মাছের উপর নির্ভরশীল।এখানে মিঠা পানির মাছ বলতে তেমন একটা নেই। কিন্তু সাগরে জেলেদের উপর নিষেধাজ্ঞায় গত কয়েকদিন যাবৎ বাজারে তাজা কোন মাছ পাওয়া যাচ্ছে না।

রোহিঙ্গাদের আগমনের কারণে সবচাইতে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত দুটি উপজেলা টেকনাফ এবং উখিয়া। আর সবচাইতে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত জনগোষ্ঠী হলো সাধারণ জেলে, যারা নাফ নদীতে মাছ ধরেই যাদের সংসার চলতো। প্রায় ৭ হাজার জেলে হারিয়েছেন তাঁদের জীবিকার একমাত্র উৎস, কারণ ৪ বছরেরও বেশি সময় ধরে নাফ নদীতে মাছ ধরা নিষেধ। উপার্জন হারিয়ে দিশেহারা প্রায় ২০ হাজার মানুষ।

কক্সবাজার কোস্ট ফাউন্ডেশনের জেলা টিম লিডার মোঃ জাহাঙ্গীর আলম বলেন,টেকনাফের হ্নীলায় এমন কিছু জেলের সঙ্গে কথা বলে জানার চেষ্টা করছিলাম তাঁদের দুর্দশার স্বরূপ। কথা বলেছি স্থানীয় দুজন জনপ্রতিনিধির সঙ্গেও। এই জেলেদের জন্য যদি কিছু করতে পারতাম আমরা!!

এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা