1. admin@upokulbarta.news : admin :
বৃহস্পতিবার, ০১ ডিসেম্বর ২০২২, ০৫:২২ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
মনপুরায় গণমাধ্যমকর্মিদের সাথে যুবদলের নবগঠিত কমিটির মত বিনিময় উত্তর দিঘলদী ইউনিয়ন বিএনপির নতুন কমিটি ঘোষণা করায় আসিফ আলতাফ কে শুভেচ্ছা জানিয়ে আনন্দ মিছিল ভোলা সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি আসিফ আলতাফ সহ ৩৪ জনের জামিনের সময়সীমা বৃদ্ধি এমপি শাওন’র জন্মদিন আজ ভেদুরিয়া চরকালী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ফান্ডের টাকা আত্মসাতের অভিযোগ প্রধান শিক্ষক সিরাজুল ইসলাম এর বিরুদ্ধে ভেদুরিয়ায় নবগঠিত ইউনিয়ন কমিটির আনন্দ মিছিলে দুষ্কৃতিকারীদের অতর্কিত হামলার অভিযোগ লালমোহনে স্বামী কর্তৃক স্ত্রী নির্যাতনের অভিযোগ আরডিএ’র নির্বাহী প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে ২শ ৬ কোটি টাকার কাজে অনিয়ম দুর্নীতির অভিযোগ ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে সুস্থ স্বাস্থ্যের জনশক্তি হিসেবে গড়ে তুলতে হবে সিদ্ধিরগঞ্জ,চৌধুরী বাড়ী বাইতুল মা’মুর জামে মসজিদের পুনঃনির্মান ভিত্তি প্রস্তর উদ্বোধন

লালমোহনে মাদ্রাসা সুপারকে পেটালেন দুই শিক্ষক ও ম্যানেজিং কমিটির সাবেক সভাপতি।

নির্বাহী সম্পাদকঃ
  • আপডেট সময় : সোমবার, ১৬ মে, ২০২২
  • ৫২ বার পঠিত
স্টাফ রিপোর্টার।।
ভোলার লালমোহন উপজেলার ধলীগৌরনগর মাহমুদা খাতুন বালিকা দাখিল মাদ্রাসার সুপার মাওঃ নুরুল ইসলামকে মাদ্রাসার অফিস কক্ষে দুই শিক্ষক ও মানেজিং কমিটির সাবেক সভাপতি মিলে মারপিট করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। তজুমদ্দিন উপজেলার চাঁচড়া ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের বাসীন্দা সুপার মাওঃ নুরুল ইসলাম তজুমদ্দিন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
আহত সুপার মাওঃ নুরুল ইসলাম জানান, আমাকে হয়রানীর উদ্দেশ্যে কিছুদিন পূর্বে সহকারী মৌলভী মাওঃ জামালউদ্দিন মাদ্রাসার ইউনিক আইডি ও উপবৃত্তি আইডি পার্সওয়ার্ড পরিবর্তন করেন। এছাড়াও ২০২২-২৪ সালের জন্য বিধি অনুযায়ী ম্যানেজিং গঠন করলে সভাপতি থেকে বাদ পড়েন ইউসুফ মিয়া।  সহকারী শিক্ষিকা ও সাবেক সভাপতির স্ত্রী রাফিয়া আক্তার চৌধুরীর কাছে থাকা মাদ্রাসার একাউন্টের চেক বই চাইলে তারা ক্ষিপ্ত হয়।
 তিনি আরো জানান, দুই শিক্ষক ও সাবেক সভাপতি মিলে ১৬ মে সোমবার মাদ্রাসা চলাকালীন সময়ে অফিস কক্ষে ডুকে আমাকে কিল, ঘুষি, লাথি মেরে মাটিতে ফেলে বুকে পা দিয়ে চেপে ধরে। শিক্ষক ছানাউল্লাহ জানান, আমরা সুপারকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করি।
অভিযুক্ত সহকারী মৌলভী মাওঃ জামালউদ্দিনের কাছে এ বিষয়ে জানতে ফোন দিলে সাংবাদিক পরিচয় পেয়ে ফোন কেটে দেন।পরে কয়েকবার ফোন দিলেও রিসিভ করেননি। অপর শিক্ষিকা রাফিয়া আক্তার চৌধুরী কাছে জানতে চাইলে বলেন, আমার শশুরকে নিয়ে বাজে মন্তব্য করায় আমার স্বামী রাগান্বিত হয়ে চড়-থাপ্পড় দেন। অভিযোগের বিষয়ে সাবেক সভাপতি ইউসুফ  মিয়ার কাছে জানতে চাইলে বলেন, আমরা মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা করেছি। সুপার উল্টাপাল্টা কথা বলেছে তাই নিজেকে নিয়ন্ত্রণ রাখতে পারিনি। লালমোহন উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার রফিকুল ইসলামের কাছে জানতে চাইলে বলেন, মাদ্রাসা সুপারের উপর হামলার বিষয়ে মোবাইলে জেনেছি। আইনগত ব্যবস্থা গ্রহনের পরামর্শ দিয়েছি।
এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা