1. admin@upokulbarta.news : admin :
শুক্রবার, ০১ মার্চ ২০২৪, ১০:২৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
লালমোহন পশ্চিম চর উমেদ ইউপি নির্বাচন শিক্ষার মানোন্নয়ন করতে চান চেয়ারম্যান প্রার্থী অধ্যক্ষ সেলিম নারীর গুণ – আঃ সামাদ দৌলতখানে যুব রেড ক্রিসেন্টে দলনেতা মাশরাফি উপ-নেতা ইমতিয়াজ ও রহিমা মোংলায় ৫ শতাধিক চক্ষু রোগীকে বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা প্রদান শরণখোলা ও মোরেলগঞ্জে বাংলাদেশ কোস্টগার্ড পশ্চিম জোনের জনসচেতনতা ও বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা প্রদান দখল-দূষণে অস্তিত্ব সংকটে ঠাকুরানী খাল পরিচ্ছন্ন অভিযানে পৌর মেয়র আ. রহমান জনপ্রিয়তার শীর্ষে ও প্রচারণায় এগিয়ে সাবেক মেয়র ডাঃ শফিক ফকিরহাটে আইনশৃঙ্খলা বিষয়ক সভা অনুষ্ঠিত ভোলায় ৬ বেসরকারি ক্লিনিক ও হাসপাতালে সিলগালা আমি আপনাদের ভালোবাসার কাছে ঋণী- কেসিসি মেয়র আ: খালেক

মাছ চাষে পুকুরে চুন প্রয়োগের সঠিক নিয়ম জেনে নিন

উপকূল বার্তা ডেস্কঃ
  • আপডেট সময় : সোমবার, ২ মে, ২০২২
  • ১২৮ বার পঠিত

বিশেষ প্রতিনিধিঃ

আমাদের দেশে মাছ চাষের পরিমাণ দিন দিন বাড়ছে। বেকার সমস্যা দূর করার পাশাপাশি মাছ চাষে দেশের বিশাল জনগোষ্ঠীর আমিষের চাহিদাও পূরণ হচ্ছে। মাছ প্রাণিজ আমিষের অন্যতম উৎস।

কর্মসংস্থান, বৈদেশিক মুদ্রা উপার্জন এবং পুষ্টি সরবরাহে মৎস্য সম্পদের অসামান্য ভূমিকা রয়েছে। মাছ চাষের বিভিন্ন পদ্ধতি আছে। যেমন,- একই পুকুর, ডোবায় বা চৌবাচ্চাতেও বিভিন্ন জাতের মাছ চাষ করা যায়।

মাছ চাষের আগে পুকুরের মাটি-পানি অম্ল ও দূষণমুক্ত করা জরুরি। এ জন্য পুকুরে চুন প্রয়োগ করতে হয়। এটি মাছের রোগ-জীবাণু ও পরজীবী ধ্বংস করতে সাহায্য করে। অন্যদিকে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ও পানিতে ক্যালসিয়াম বাড়াতে তথা পুকুরের উৎপাদনশীলতা বাড়ানোর জন্য চুন প্রয়োগ করা জরুরি।

তবে চুন প্রয়োগের আগে জেনে নিতে হবে এর প্রয়োগ সম্পর্কে। চুন প্রয়োগের আগে পুকুরের মাটি-পানি অম্ল ও দূষণমুক্ত করতে হবে। মাছের রোগ জীবাণু ও পরজীবী ধ্বংস করতে, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ও পানিতে ক্যালসিয়াম বাড়াতে হবে।

অন্যদিকে পুকুরের উৎপাদনশীলতা বাড়ানোর জন্য চুন প্রয়োগ আবশ্যক। পুকুরের মাটি ও পানির গুণাগুণের ওপর চুনের সঠিক মাত্রা নির্ভরশীল। সাধারণত পুকুরের তলদেশে শুকনা অবস্থায় পাথুরে চুন গুঁড়া করে শতাংশ প্রতি ১ কেজি হারে পুরোপুকুরে ছিটিয়ে দিতে হবে।

পুকুরে চুন প্রয়োগের সঠিক নিয়ম জেনে নিন

তবে অম্ল­মান ৪ হলে ১০ কেজি, ৪.৫ হলে ৫ কেজি, ৫.৫ হলে ৩ কেজি, ৬.৫ হলে ২ কেজি প্রতি শতাংশে প্রয়োগ করতে হয়। চুন প্রয়োগের ২-৩ দিন পর পুকুরে পানি সরবরাহ করতে হবে। পানি শুকানো না হলে পানি ভর্তি পুকুরে একই হারে চুন পানিতে গুলে পুরো পুকুরে ঢালু পাড়সহ ছিটিয়ে দিতে হবে। কারণ পুকুরের পাশে অনেক ধরনের পোকামাকড় থাকে সেগুলো মারা যাবে।

তবে চুন দেওয়ার সময় খেয়াল রাখতে হবে যাতে চুনটা চোখে মুখে না লাগে। সেই জন্য সতর্ক থাকতে হবে। টিনের ড্রাম বা সিমেন্টের চারি বা পুকুরের পাশেই গর্ত করে ভিজিয়ে রাখতে হবে। যে পাত্রে ভেজাবেন সেই পাত্রে একটা চটের বস্তা মুখের উপর দিয়ে দিতে হবে। কারণ যে সেই চুনটা মুখে না লাগে।

প্রয়োগের চুন ৫ ঘণ্টা আগে পানিতে ভেজাতে হবে। ভেজানো সঙ্গে সঙ্গে চুন গরম হয়ে যায়। তবে ঠান্ডা হওয়ার পর চুন প্রয়োগ করতে হবে। রোদের সময় দিলে সবচেয়ে ভালো। লক্ষ্য রাখতে হবে বাতাসের বিপরীত থেকে যেন চুন প্রয়োগ করার সময় মুখে ছিটে না আসে। হঠাৎ করে যদি চোখে লেগে যায় টিবওয়েলের পরিষ্কার পানি দিয়ে চোখ সঙ্গে সঙ্গে ধুয়ে নিতে হবে।

চুন প্রয়োগের ২-৩ দিন পর পুকুরে পানি সরবরাহ করতে হবে। পানি শুকানো না হলে পানি ভর্তি পুকুরে একই হারে চুন পানিতে গুলে পুরো পুকুরে ঢালু পাড়সহ ছিটিয়ে দিতে হবে।

এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা