1. admin@upokulbarta.news : admin :
শনিবার, ২০ এপ্রিল ২০২৪, ০৮:২৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
মেঘনা নদীতে কর্ণফুলী-৩ লঞ্চে আগুন, আতঙ্কিত যাত্রীরা ভোলায় পুকুরে ডুবে ভাই-বোনের মৃত্যু ফকিরহাটের শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করে স্বপন দাশের প্রচার শুরু চরফ্যাশনে ভিকটিমকে নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে ম্যাজিস্ট্রেট মোস্তাফিজুর রহমান এর বিরুদ্ধে আদালতের আদেশ মানতে গড়িমসি করছেন খুলনা বিভাগীয় পরিবার পরিকল্পনা পরিচালক রবিউল আলম বাইউস্টে নবীন শিক্ষার্থীদের ওরিয়েন্টেশন প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত Sustainability with Profitability is Possible-Rezaul Karim Chowdhury লালমোহনে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে মারপিট আহত ১ ২০২৪-২৫ বাজেটে সব ধরনের তামাকপণ্যের কর ও মূল্য বৃদ্ধির দাবিতে বিড়ি শ্রমিকদের মানববন্ধন মোহনপুরে প্রাণিসম্পদ প্রদর্শনী মেলার উদ্বোধন

জনপ্রিয়তার শীর্ষে ও প্রচারণায় এগিয়ে সাবেক মেয়র ডাঃ শফিক

সহকারী সম্পাদক
  • আপডেট সময় : বৃহস্পতিবার, ২৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪
  • ৮২ বার পঠিত

পটুয়াখালী: পটুয়াখালী পৌরসভা নির্বাচনকে কেন্দ্র করে পাড়া মহল্লায় বইছে ভোটের হাওয়া। হোটেল, রেস্তোরাঁ আর চায়ের দোকানগুলোতে নির্বাচনী আলাপ–আলোচনায় মেতে উঠেছেন ভোটাররা। নির্বাচনী সভার পাশাপাশি প্রার্থীরা ভোটারদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোট চাচ্ছেন, ভোটারদের মন পেতে নানা প্রতিশ্রুতিও দিচ্ছেন। তবে এখানে ৫ জন মেয়র প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলেও ২ জন প্রার্থী ছাড়া মাঠে তেমন কাউকে দেখা যাচ্ছে না। এতে বর্তমান ও সাবেক মেয়রের মধ্য মূখ্য প্রতিদ্বন্দ্বীতা শুরু হয়ে হয়ে গেছে আরও আগেই।

এবার স্থানীয় সরকার নির্বাচনে দলীয় প্রতীক না থাকলেও দল থেকে মেয়র পদে জনপ্রিয়তা ও যোগ্যতা বিবেচনায় জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও সাবেক পৌর মেয়র ডা. মো. শফিকুল ইসলামকে সমর্থন দেওয়া হয়েছে। এই নেতাকে বিজয়ী করতে একাট্টা হয়ে মাঠে নেমেছে দলীয় নেতাকর্মীরা। প্রতিটি দিন সকাল থেকে রাত পর্যন্ত পৌর শহরের অলিগলিতে দল বেঁধে ভোটারদের দ্বারে দ্বারে ভোট প্রার্থনা করছেন তারা।

তফসিল সূত্রে জানা যায়, আগামী ৯ মার্চ পটুয়াখালী পৌরসভা নির্বাচনের ভোট গ্রহণ হবে। এতে মেয়র পদে লড়াইয়ে নেমেছেন ৫ জন। এরা হলেন, বর্তমান মেয়র জগ প্রতীকের মহিউদ্দিন আহমেদ, সাবেক মেয়র ও জেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মোবাইল ফোন প্রতিকের ডা. মো. শফিকুল ইসলাম, পৌর আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি নারিকেল গাছ প্রতীকের মো. এনায়েত হোসেন ও রেলগাড়ি প্রতীকের ব্যবসায়ী আবুল কালাম আজাদ এবং বিএনপি নেতা কম্পিউটার প্রতীকের নাসির উদ্দিন খান। এছাড়া ৯ টি ওয়ার্ডে কাউন্সিলর পদে ৩৯ জন ও সংরক্ষিত কাউন্সিলর প্রার্থী রয়েছেন ১৫ জন। পৌরসভার মোট ভোটারের সংখ্যা ৫০ হাজার ৬শত ৯৯ জন।

গত ২৩ ফেব্রুয়ারী প্রতীক বরাদ্দের পরপরই প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীরা মার্কা নিয়ে ভোটার সাধারনের দুয়ারে দুয়ারে গিয়ে উন্নয়ন ও সেবার নানা প্রতিশ্রুতি দিয়ে ভোট ও দোয়া কামনায় ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন।

স্থানীয়রা বলছেন, এবার বর্তমান মেয়র মহিউদ্দিন আহমেদ ও সাবেক মেয়র ডা. শফিকুল ইসলাম এর মধ্যে মূল প্রতিদ্বন্দ্বীতা হবে। এতে গত ৫ বছর বর্তমান মেয়র শহরের নির্দিষ্ট কিছু স্থানে দৃশ্যমান উন্নয়ন করলেও ৯ টি ওয়ার্ডে সমান তালে উন্নয়ন হয়নি। এতে সাবেক মেয়রের উপরে আস্থা রাখছেন সাধারণ জনগণ, পাশাপাশি তিনি গরিবের ডাক্তার হিসেবেও পরিচিত এই জনপদে।

সরেজমিনে বুধবার পৌরসভার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায়, তিন মেয়র প্রার্থী ও কাউন্সিলর প্রার্থীদের পোস্টারে ভরে গেছে রাস্তা-গলি। সব জায়গায় চলছে নির্বাচন নিয়ে আলোচনা।

৭নং ওয়ার্ডের তরুণ ভোটার মেহেদী হাসান বলেন,’ পুরো পৌর এলাকায় উৎসবের আমেজ। নির্বাচনী প্রচারণা চলছে জোরেশোরে। মেয়র পদে ২ জন শক্তিশালী প্রার্থী থাকায় প্রচারণা জমে উঠেছে।’

পৌরসভার ৯ নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা বেল্লাল সিকদার বলেন,’ ডাক্তার সাহেব একজন মানবিক মানুষ। আমরা সাধারণ মানুষ কোন বিপদে পরে তার কাছে গেলে কখনো ফিরিয়ে দেন নাই। আমরা চাই তিনি আবার নির্বাচিত হয়ে আমাদের সেবা করার জন্য ফিরে আসুক।

পৌরসভার ৭ নং ওয়ার্ডের নাগরিক ও পৌর আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক অ্যাড. তারিকুজ্জামান মনি বলেন,’ পৌরসভায় উন্নয়ন শফিক ডাক্তারের হাত ধরেই শুরু হয়েছিল। আমি চাই তিনি যেন পুনরায় মেয়র নির্বাচিত হয়ে, সকল এলাকায় সমভাবে উন্নয়নের ছোয়া পৌছে দিতে পারে। ইতিমধ্যে প্রচার প্রচারণায় মানুষ ব্যাপক সাড়া দিচ্ছে।’

জেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও সাবেক মেয়র মোবাইল ফোন প্রতীকের প্রার্থী ডা. শফিকুল ইসলাম বলেন,‘ আমি বিগত দিনে ৮ বছর মেয়র থাকাকালীন মানুষের পাশে ছিলাম তাই প্রচারণায় গিয়ে সাধারণ মানুষের ব্যাপক সাড়া পাচ্ছি। কারন বর্তমানে সাধারণ মানুষ উন্নয়ন থেকে বঞ্চিত হয়েছে। আমি চাই এই শহরের উন্নয়ন হবে পাশাপাশি সকল শ্রেনী পেশার মানুষের ভাগ্যের উন্নয়ন করতে। আমার সময়ে আমি সকল এলাকায় উন্নয়নের সুষম বন্টন করেছি। ইনশাআল্লাহ আগামী ৯ মার্চ মানুষ আমাকে গ্রহন করবেন।’

এদিকে পৌর নির্বাচনে আচরণ বিধি যথাযথ প্রতিপালনের লক্ষ্যে সার্বক্ষণিক মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করছেন স্থানীয় প্রশাসন। ২৮ তারিখ পর্যন্ত আচরণ বিধি ভঙ্গের অভিযোগে বিভিন্ন কাউন্সিলর ও মেয়র প্রার্থীর ২২ জন প্রার্থী ও সমর্থককে ১ লক্ষ ৫৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

এ ব্যাপারে জেলা সিনিয়র নির্বাচন কর্মকর্তা ও রিটার্নিং অফিসার খান আবি শাহানুর খান বলেন,‘ নির্বাচনের আচরণবিধি মানার জন্য সব প্রার্থীকে নিয়ে আমরা মতবিনিময় সভা করেছি। নির্বাচনকে সুষ্ঠু করার জন্য আমাদের সবধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। শহরে নিশ্চিত করা হয়েছে বাড়তি নিরাপত্তা। বৃদ্ধি করা হয়েছে বাড়তি নজরদারী। নিয়োগ করা হয়েছে তিনজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট।

পৌরবাসীকে পছন্দের প্রার্থীকে নির্বাচিত করগে সুষ্ঠু ও নিরেপক্ষ নির্বাচন উপহার দিতে কঠোর অবস্থানে রিটার্নিং কর্মকর্তা ও স্থানীয় প্রশাসন।

এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা