1. admin@upokulbarta.news : admin :
মঙ্গলবার, ০৪ অক্টোবর ২০২২, ০৪:৫২ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
যুবক সজিবঃ যুবকদের অনুপ্রেরণা মানববন্ধন করে হয়রানি ও মানহানি করার প্রতিবাদে ভোলায় সংবাদ সম্মেলন ভোলার ভেদুরিয়ায় ভূমিদস্যু দুলাল বাউলীর বিরুদ্ধে এলাকাবাসীর মানববন্ধন শহীদ ক্যাপ্টেন শেখ কামাল স্পেটিং ক্লাবের উদ্বোধন উপলক্ষে ফুটবল প্রীতি ম্যাচ অনুষ্ঠিত সিদ্ধিরগঞ্জে চুরির অপবাদ দিয়ে ফাঁকা স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর রেখে গাড়ি চালকের ক্ষতির চেষ্টা মেট্রোরেলের দ্বাদশ চালান নিয়ে মোংলা বন্দরে ট্রাম্প জাসদের ৫০ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী ও সুবর্ণ জয়ন্তী উপলক্ষে ভোলায় মশাল মিছিল দশমিনা উপজেলার সিপিপি স্বেচ্ছাসেবকদের মধ্যে গিয়ার বিতরন অনুষ্ঠানে ২০২২ শেখ হাসিনার নেতৃত্বে এদেশে সকল ধর্মের মানুষে শান্তিপূর্ণভাবে বসবাস করছে-এমপি শাওন গানের শুরে নেশাকে না বলুন লালমোহনে মঞ্চ মাতালেন ডি আইজি আক্তারুজ্জামান

লালমোহনে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জমি জালিয়াতির অভিযোগ।

স্টাফ রিপোর্টার।।
  • আপডেট সময় : বুধবার, ৫ জানুয়ারি, ২০২২
  • ১০৪ বার পঠিত

ভোলার লালমোহনে পশ্চিম হরিগঞ্জ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জমি জালিয়াতির অভিযোগ উঠেছে সেই স্কুলের শিক্ষক ইউসুফ কুটির বিরুদ্ধে। জানা যায়, পশ্চিম হরিগঞ্জ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ১৯৯১ সালে স্থাপিত হয়। পরে ১৯৯৫ সালে স্কুলের নামে মোঃ ইউসুফ কুট্টি ২৫ শতাংশ এবং তৎকালীন স্কুলের সভাপতি মকবুল আহাম্মদ ২৫ শতাংশ জমি দেওয়ার কথা বলে মকবুলের নিকট থেকে খতিয়ান কাগজপত্র নিয়ে ইউসুফ কুট্টি নিজে ১৭ শতাংশ জমি দিয়ে মকবুলের থেকে ৩৩ শতাংশ জমি কবলা দেয়। এ নিয়ে দীর্ঘদিন দেনদরবার চলে আসছে।

পরে এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে মকবুলের ছেলে মোঃ ইউসুফ ফরাজী লালমোহন থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। ইউসুফ ফরাজী অভিযোগে জানান, আমার পিতা মকবুল আহাম্মদ ইউসুফ কুট্টিকে বিশ্বাস করে খতিয়ান কাগজপত্র দেয়, কিন্তু দু’জনে ২৫ শতাংশ করে মোট ৫০ শতাংশ জমি দেওয়ার কথা থাকলেও তিনি বিশ্বাসঘাতকতা করে নিজে ১৭ শতাংশ জমি দিয়ে আমার বাবার কাছ থেকে ৩৩ শতাংশ জমি নেয়। এতদিন দলিল তার কাছে থাকার কারণে আমরা বুঝতে পারিনি। স্কুলের রেজুলেশন খাতার দাতা হিসাবে দু’জনের ২৫ শতাংশ করে জমি দেওয়ার কথা উল্লেখ রয়েছে। আমরা এ বিশ্বাসঘাতকের উপযুক্ত বিচার দাবী করছি। স্কুলের প্রতিষ্ঠাকালীন শিক্ষকরা জানান, ইউসুফ কুট্টি ও মকবুল আহাম্মদ দু’জনে ২৫ শতাংশ করে ৫০ শতাংশ জমি স্কুলের নামে দিয়েছে বলে আমরা জানি।

স্কুলের বর্তমান প্রধান শিক্ষক মোঃ ইয়াহিয়া জানান, ইউসুফ কুট্টি এই স্কুলের শিক্ষক এবং জমির দাতা। তিনি আমাদরকে লগ্নি বাবদ ২৫ শতাংশ টাকা দেয় কিন্তু জমি দেই দিচ্ছি বলে এখনও বুঝিয়ে দেয়নি। তিনি বিভিন্নরকম তালবাহানা করে আসছেন। ইউসুফ কুট্টির কাছে এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, মকবুল আহম্মদ নিজে স্কুলের সভাপতি এবং প্রধান শিক্ষক। সেজন্য তিনি ৩৩ শতাংশ জমি দিয়েছেন। আর আমি সহকারী শিক্ষক হিসেবে ১৭ শতাংশ জমি দিয়েছি। সেসময় যেমন কথা হয়েছিল ঠিক সেরকমই হয়েছ। এখন তার মৃত্যুর পর ছেলেরা আমাকে অহেতুক হেয় প্রতিপন্ন করার জন্য এমন অভিযোগ করছে।

এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা