1. admin@upokulbarta.news : admin :
  2. bangladesh@upokulbarta.news : যুগ্ম সম্পাদক : যুগ্ম সম্পাদক
  3. bholasadar@upokulbarta.news : বার্তা সম্পাদক : বার্তা সম্পাদক
শুক্রবার, ২৪ মে ২০২৪, ০১:৩১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ভোলার লালমোহনে পুলিশকে মারধরের ঘটনায় মামলা, আটক-৩ ভোলায় কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠিত হচ্ছে ৩ উপজেলা নির্বাচন ধলীগৌরনগর ইউপি নির্বাচনে মঞ্চ লুঙ্গী পড়া মানুষের জন্য বিশাল পথসভায় নেহাল পাটোয়ারী ভাইস চেয়ারম্যান থেকে চেয়ারম্যান হলেন ইউনুস, ভোলার ৩ উপজেলায় নির্বাচন সাতক্ষীরার ইছামতি নদীতে ভারতীয় নাগরিকের মরদেহ উদ্ধার! রাজশাহীতে পুষ্টি বিষয়ক মাল্টি সেক্টরাল সমন্বিত কর্মশালা অনুষ্ঠিত রামপালে মেধাবী অন্বেষণ কুইজ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত রামপালে গলায় ফাঁস দিয়ে যুবক যুবতীর আত্মহত্যা ধলীগৌরনগর ইউপি নির্বাচন- সুখেদুঃখে মানুষের পাশে থাকবেন সংরক্ষীত সদস্য প্রার্থী নাসিমা লালমোহন উপজেলা নির্বাচন২৪ নির্বাচিত হলে বদরপুরে সবচেয়ে বেশি উন্নয়ন করবো-প্রার্থী আকতার হোসেন

লালমোহনে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জমি জালিয়াতির অভিযোগ।

স্টাফ রিপোর্টার।।
  • আপডেট সময় : বুধবার, ৫ জানুয়ারি, ২০২২
  • ১৯৭ বার পঠিত

ভোলার লালমোহনে পশ্চিম হরিগঞ্জ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জমি জালিয়াতির অভিযোগ উঠেছে সেই স্কুলের শিক্ষক ইউসুফ কুটির বিরুদ্ধে। জানা যায়, পশ্চিম হরিগঞ্জ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ১৯৯১ সালে স্থাপিত হয়। পরে ১৯৯৫ সালে স্কুলের নামে মোঃ ইউসুফ কুট্টি ২৫ শতাংশ এবং তৎকালীন স্কুলের সভাপতি মকবুল আহাম্মদ ২৫ শতাংশ জমি দেওয়ার কথা বলে মকবুলের নিকট থেকে খতিয়ান কাগজপত্র নিয়ে ইউসুফ কুট্টি নিজে ১৭ শতাংশ জমি দিয়ে মকবুলের থেকে ৩৩ শতাংশ জমি কবলা দেয়। এ নিয়ে দীর্ঘদিন দেনদরবার চলে আসছে।

পরে এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে মকবুলের ছেলে মোঃ ইউসুফ ফরাজী লালমোহন থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। ইউসুফ ফরাজী অভিযোগে জানান, আমার পিতা মকবুল আহাম্মদ ইউসুফ কুট্টিকে বিশ্বাস করে খতিয়ান কাগজপত্র দেয়, কিন্তু দু’জনে ২৫ শতাংশ করে মোট ৫০ শতাংশ জমি দেওয়ার কথা থাকলেও তিনি বিশ্বাসঘাতকতা করে নিজে ১৭ শতাংশ জমি দিয়ে আমার বাবার কাছ থেকে ৩৩ শতাংশ জমি নেয়। এতদিন দলিল তার কাছে থাকার কারণে আমরা বুঝতে পারিনি। স্কুলের রেজুলেশন খাতার দাতা হিসাবে দু’জনের ২৫ শতাংশ করে জমি দেওয়ার কথা উল্লেখ রয়েছে। আমরা এ বিশ্বাসঘাতকের উপযুক্ত বিচার দাবী করছি। স্কুলের প্রতিষ্ঠাকালীন শিক্ষকরা জানান, ইউসুফ কুট্টি ও মকবুল আহাম্মদ দু’জনে ২৫ শতাংশ করে ৫০ শতাংশ জমি স্কুলের নামে দিয়েছে বলে আমরা জানি।

স্কুলের বর্তমান প্রধান শিক্ষক মোঃ ইয়াহিয়া জানান, ইউসুফ কুট্টি এই স্কুলের শিক্ষক এবং জমির দাতা। তিনি আমাদরকে লগ্নি বাবদ ২৫ শতাংশ টাকা দেয় কিন্তু জমি দেই দিচ্ছি বলে এখনও বুঝিয়ে দেয়নি। তিনি বিভিন্নরকম তালবাহানা করে আসছেন। ইউসুফ কুট্টির কাছে এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, মকবুল আহম্মদ নিজে স্কুলের সভাপতি এবং প্রধান শিক্ষক। সেজন্য তিনি ৩৩ শতাংশ জমি দিয়েছেন। আর আমি সহকারী শিক্ষক হিসেবে ১৭ শতাংশ জমি দিয়েছি। সেসময় যেমন কথা হয়েছিল ঠিক সেরকমই হয়েছ। এখন তার মৃত্যুর পর ছেলেরা আমাকে অহেতুক হেয় প্রতিপন্ন করার জন্য এমন অভিযোগ করছে।

এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা