1. admin@upokulbarta.news : admin :
শুক্রবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ০৮:১২ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ডর্‌প ও ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ওয়াশ এবং জলবায়ু পরিবর্তন সংক্রান্ত সেমিনার অনুষ্ঠিত বন্দরে প্যালিয়েটিভ কেয়ার বিষয়ে সাংবাদিকদের সাথে নেটওয়ার্কিং সভা অনুষ্ঠিত পরীক্ষায় অসদুপায় অবলম্বন করায় এক শিক্ষকসহ ১৭ পরীক্ষার্থী বহিষ্কার ব্যাংকে জমি বন্ধক রেখে ঋন, বন্ধকী জমি বিক্রয়ে গ্রাহক ও ম্যানেজারের প্রতারনা চরফ্যাশন উপজেলা যুব রেড ক্রিসেন্ট কমিটি গঠন যৌন হয়রানি করে প্রধান শিক্ষক জেলে বরখাস্ত করেনি সভাপতি নেতা মুজিব -আঃ সামাদ ভোলায় নারী নেটওয়ার্কিং কমিটির সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত ফকিরহাটে মিনি ম্যারাথন দৌড় প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত ফকিরহাটে কৃষি ব্যাংকে গ্রাহক সেবা উন্নয়নে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি নির্ভরশীল দেশ জাপান

Mizanur Rahman
  • আপডেট সময় : শনিবার, ৯ ডিসেম্বর, ২০২৩
  • ৪২৬ বার পঠিত

কৃষিতে বাংলাদেশের যেমন সফলতা ও সম্ভাবনা আছে; তেমনি আছে বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ। চ্যালেঞ্জগুলো হলো কৃষি শ্রমিকের সংকট, কৃষিপণ্যের ন্যায্যমূল্যের অনিশ্চয়তা, সংগ্রহোত্তর অপচয়, কৃষিপণ্য সংরক্ষণ ও প্রক্রিয়াকরণ শিল্পের অভাব, পরিবহন ও সুষ্ঠু বাজার ব্যবস্থাপনার অনুপস্থিতি, মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য, পুঁজি সংকট, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব, ক্ষুদ্র কৃষিজমি ও যান্ত্রিকীকরণের অপ্রতুলতা। এ ছাড়া রয়েছে মাত্রাতিরিক্ত রাসায়নিক সার ও বালাইনাশকের ব্যবহার, গুণগত মানের বীজের অভাব, কৃষির প্রতি তরুণ প্রজন্মের অনীহা, কৃষি বিমার ব্যবস্থা না থাকা, কৃষিজমি হ্রাস, কৃষি বিনিয়োগে অনাগ্রহ, ঋণ প্রদানে ব্যাংকগুলোর গড়িমসি এবং সরকার, বিশ্ববিদ্যালয়, গবেষণা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে কৃষক ও বেসরকারি উদ্যোক্তাদের সমন্বয়ের ঘাটতির মতো বিষয়গুলো। জাপানের সঙ্গে বাংলাদেশের অনেক বিষয়ে মিল আছে। জাপানিরাও ভাত-মাছ খায়। দেশটির জনসংখ্যা ১২ কোটি ৬০ লাখ, আমাদের ১৬ কোটি ৫০ লাখ। জাপানে মোট জনসংখ্যার শতকরা ৪ ভাগ ও আমাদের ৪০ ভাগ কৃষিকাজের সঙ্গে জড়িত। জাপানের জিডিপিতে কৃষির অবদান শতকরা ২ ভাগ এবং আমাদের অবদান শতকরা ১৩ দশমিক ৬৫ ভাগ। বাংলাদেশে মোট জমির ৫৮ শতাংশ এবং জাপানে মোট জমির ১৩ শতাংশ চাষযোগ্য। ওই জমির একটি বড় অংশ আবার পাহাড়ি খাঁড়া অঞ্চল। সেখানে তাকের মতো স্তরে স্তরে কেটে ধান ও অন্যান্য ফসল উৎপাদন করা হয়। দেশটির আবহাওয়া কৃষি উপযোগী। পর্যাপ্ত বৃষ্টিপাত হয় এবং মাটিও উর্বর। অনুকূল আবহাওয়া, জমির উৎপাদিকা শক্তি এবং সর্বাধুনিক প্রযুক্তিকে কাজে লাগিয়ে স্বল্প জমি থেকে অধিক উৎপাদন করতে সক্ষম হয়েছে জাপান। জাপানে আধুনিক যন্ত্রপাতি ব্যবহার করে অল্প সময়ে কৃষক একাই অনেক বেশি পরিমাণ জমি চাষাবাদ করতে পারেন। জমি চাষ, চারা তৈরি, চারা রোপণ, ফসল কাটা, মাড়াই এবং বাজারজাতকরণের উপযোগী করা সবকিছুই কৃষক যন্ত্রের সাহায্যে করতে পারেন। এটাই হলো আধুনিক জাপানি কৃষির বৈশিষ্ট্য। জাপানে হেক্টরপ্রতি চালের উৎপাদনও আমাদের চেয়ে প্রায় তিন গুণ বেশি। আমাদের দেশে হেক্টরপ্রতি চালের গড় উৎপাদন ২.২০ টন, জাপানে হেক্টরপ্রতি চালের উৎপাদন ৬.৫৪ টন। তার পরও জাপানকে প্রচুর খাদ্যশস্য বিদেশ থেকে আমদানি করতে হয়।
উৎপাদন বৃদ্ধি, খরচ হ্রাস এবং কৃষিশ্রমিকের সংকট উত্তরণের মাধ্যমে কৃষিকে টেকসই করতে হলে কৃষি যন্ত্রপাতির বিকল্প নেই। বিকল্প নেই কৃষিতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার। এজন্য কৃষি যান্ত্রিকীকরণের জন্য প্রকল্প গ্রহন প্রয়োজন। আজ থেকে ২২ বছর আগে জাপানে কৃষিকাজে ২০ লাখ ট্রাক্টর এবং ১২ লাখ কম্বাইন হারভেস্টার ব্যবহার হতো। এসব কৃষি যন্ত্রপাতির বর্তমানে তেমন চাহিদা নেই। জাপানে এখন বয়স্ক কৃষকের শ্রম লাঘবের জন্য ব্যবহার হচ্ছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাযুক্ত মনুষ্যবিহীন স্বয়ংক্রিয় কৃষি যন্ত্রপাতি। কারণ সেখানকার শিক্ষিত তরুণরা আর সার্বক্ষণিক কৃষিকাজে নিজেদের নিয়োজিত করতে চান না। প্রায় একই ধরনের সমস্যা দেখা দিয়েছে বাংলাদেশে।
কনসাই অঞ্চলে কৃষকের মধ্যে প্যানাসনিক উদ্ভাবিত ‘প্যাসিভ হাউস’ নামে এক ধরনের গ্রিনহাউস ইদানীং বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। এতে চাষাবাদের জন্য প্রয়োজনীয় আলো, তাপমাত্রা ও আর্দ্রতার ব্যত্যয় ঘটলেই সেন্সরে ধরা পড়ে এবং স্বয়ংক্রিয়ভাবে তা সমন্বয় হয়।

এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা