1. admin@upokulbarta.news : admin :
শুক্রবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ০৮:১৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ডর্‌প ও ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ওয়াশ এবং জলবায়ু পরিবর্তন সংক্রান্ত সেমিনার অনুষ্ঠিত বন্দরে প্যালিয়েটিভ কেয়ার বিষয়ে সাংবাদিকদের সাথে নেটওয়ার্কিং সভা অনুষ্ঠিত পরীক্ষায় অসদুপায় অবলম্বন করায় এক শিক্ষকসহ ১৭ পরীক্ষার্থী বহিষ্কার ব্যাংকে জমি বন্ধক রেখে ঋন, বন্ধকী জমি বিক্রয়ে গ্রাহক ও ম্যানেজারের প্রতারনা চরফ্যাশন উপজেলা যুব রেড ক্রিসেন্ট কমিটি গঠন যৌন হয়রানি করে প্রধান শিক্ষক জেলে বরখাস্ত করেনি সভাপতি নেতা মুজিব -আঃ সামাদ ভোলায় নারী নেটওয়ার্কিং কমিটির সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত ফকিরহাটে মিনি ম্যারাথন দৌড় প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত ফকিরহাটে কৃষি ব্যাংকে গ্রাহক সেবা উন্নয়নে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

৩২টি মহিষ নিয়ে সিদ্ধান্তহীনতায় ফকিরহাটে সরকারি মহিষ প্রজনন খামার

আহসান টিটু, বাগেরহাট :
  • আপডেট সময় : শনিবার, ২২ জুলাই, ২০২৩
  • ১৯৫ বার পঠিত

বাগেরহাটের ফকিরহাটে অবস্থিত দেশের একমাত্র মহিষ প্রজনন ও উন্নয়ন খামারের জন্য ভারত থেকে কেনা মুররা জাতের ৩২টি মহিষ নিয়ে জটিলতা সৃষ্টি হয়েছে। ঠিকাদারের পক্ষ থেকে মহিষ সরবরাহের পাঁচ মাসেও গ্রহণ করেনি খামার কর্তৃপক্ষ। দরপত্রের শর্ত অনুযায়ী দুধ উৎপাদন না হওয়ায় মহিষগুলোকে পর্যবেক্ষণে রেখেছে খামার কর্তৃপক্ষ।

খামার সূত্রে জানা গেছে, মহিষ উন্নয়ন প্রকল্পের (দ্বিতীয় পর্যায়) আওতায় ভারত থেকে মুররা জাতের ১৪৯টি মহিষ আনার জন্য ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান জেনটেক ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেডকে ক্রয় আদেশ দেয় প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর। জেনটেক ইন্টারন্যাশনাল গত ফেব্রæয়ারিতে খামার কর্তৃপক্ষকে ৩২টি মহিষ সরবরাহ করে। তখন ৩২টি মহিষের মধ্যে ২৯টির সঙ্গে বাচ্চা ছিল। দরপত্রের শর্ত অনুযায়ী, প্রতিটি মহিষের প্রতিদিন গড়ে ৬ থেকে ৭ দশমিক ৪ কেজি দুধ দেওয়ার কথা থাকলেও ৩ থেকে ৩ দশমিক ২ লিটার দুধ দিচ্ছে। বর্তমানে কেন্দ্রের ৪ ও ৭ নম্বর শেডে রয়েছে মহিষগুলো। পর্যায়ক্রমে চলতি অর্থবছরের মধ্যে বাকি মহিষকেন্দ্রে আসার কথা রয়েছে। কেন এসব মহিষ গ্রহণ করা হয়নি, বিষয়টি স্পষ্ট করেনি কেন্দ্র কর্তৃপক্ষ। দীর্ঘ প্রায় ৫ মাসেও মহিষের দুধ উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি পায়নি বলে জানা গেছে। মহিষগুলো গ্রহণ বা বালিত করার বিষয়ে সিদ্ধান্ত না হওয়ায় বিপাকে আছে মহিষ প্রজনন ও উন্নয়ন খামার কর্তৃপক্ষ।

তবে খামারের কয়েকটি সূত্র বলছে, দরপত্রের শর্ত অনুযায়ী দুধ উৎপাদন না হওয়ায় খামার কর্তৃপক্ষ এখনো মহিষগুলো গ্রহণ করেনি।

মহিষ প্রজনন ও উন্নয়ন খামারের সিনিয়র সহকারী পরিচালক ও মহিষ ক্রয় কমিটির সদস্য সচিব মো. আহসান হাবীব প্রামাণিক বলেন, ‘চলতি বছরের ফেব্রæয়ারিতে ভারত থেকে আনা মহিষগুলো দরপত্রের চুক্তি অনুযায়ী কেন্দ্রের দুটি শেডে রয়েছে। তবে পর্যালোচনা কমিটি মহিষ গ্রহণ করা বা না করার বিষয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত দেয়নি। পর্যালোচনা কমিটি সিদ্ধান্ত দিলে আমরা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেব।’

প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের পরিচালক (উৎপাদন) এবং মহিষ ক্রয় কমিটির আহ্বায়ক ড. এ বি এম খালেদুজ্জামান বলেন, ‘যে মহিষগুলো এসেছে সেগুলোর জিনগত বৈশিষ্ট্য, দৈহিক গড়ন ও ওজন ঠিক আছে। যেহেতু তারা দীর্ঘ ভ্রমণ ও অন্য একটি পরিবেশ থেকে এসেছে, ফলে আমরা পর্যবেক্ষণ করছি। বিশেষ করে তাদের উৎপাদনক্ষমতা পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। শিগগির মহিষগুলোর বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।’

১৯৮৪-৮৫ সালে খুলনা-মোংলা মহাসড়কের পাশে ফকিরহাট উপজেলার বেতাগায় মহিষ প্রজনন ও উন্নয়নকেন্দ্রের যাত্রা শুরু হয়। ১০০ মহিষ নিয়ে শুরু করলেও বর্তমানে এই খামারে মহিষের সংখ্যা ৩৭২টি।

এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা