1. admin@upokulbarta.news : admin :
  2. bangladesh@upokulbarta.news : যুগ্ম সম্পাদক : যুগ্ম সম্পাদক
  3. bholasadar@upokulbarta.news : বার্তা সম্পাদক : বার্তা সম্পাদক
সোমবার, ১৭ জুন ২০২৪, ০৪:৩৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
দেশ ও জাতির কল্যাণে দোয়া ঈদ উপলক্ষে রেমালে ক্ষতিগ্রস্থদের মাঝে খাদ্য বিতরণ করলো মাহাবুবা মতলেব তালুকদার ফাউন্ডেশন ৷ ভোলায় ঘুর্ণিঝড় রিমেলে ক্ষতিগ্রস্ত ২৫০ পরিবারের মাঝে ১৫ লক্ষ টাকা বিতরণ করল কোস্ট ফাউন্ডেশন বর্তমান সরকার অসহায় দুস্থদের সরকার-মেয়র শেখ আ: রহমান জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলায় পরিকল্পনা আছে বটে, কিন্তু বাস্তবায়নে বাজেট নেই বাগেরহাটে কলেজ শিক্ষকদের বেসিক আইসিটি প্রশিক্ষণের সনদ প্রদান বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে ফকিরহাটের নবনির্বাচিত চেয়ারম্যানগণের শ্রদ্ধা নিবেদন সাতক্ষীরায় নাগরিক সংলাপ জলবায়ু সংকটে নিপতিত সাতক্ষীরায় বাসযোগ্য ও পরিকল্পিত নগর গড়ে তোলার আহবান মানারাতুল উম্মাহ মডেল মাদরাসার অভিভাবক সমাবেশ ও সবক অনুষ্ঠান মোহনপুরে পিজি সদস্যদের পোল্ট্রি খাদ্য ও উপকরন বিতরণ

বন্দর মুছাপুরে প্রকাশ্যে চলছে ফসলি জমির মাটি বিক্রি এ যেন দেখার কেউ নেই

সহকারী সম্পাদকঃ
  • আপডেট সময় : শনিবার, ৩ জুন, ২০২৩
  • ৮৭ বার পঠিত
স্টাফ রিপোর্টারঃ
বন্দর উপজেলার মুছাপুর ইউনিয়নে বালিগাঁ,মুছাপুর, মনারবাড়ী বিলে প্রকাশ্যে চলছে মাটি খেকো সাইদুল ও সুমনের ফসলি জমির মাটি কাটা প্রশাসন নিরব ভূমিকায় এ যেন দেখার কেউ নেই।
সরজমিনে গিয়ে দেখা যায় স্থানীয় ইট ভাটার মালিকদের সাথে সখ্যতা গড়ে তুলে মুছাপুর ধামগড় ইউনিয়নের মনারবাড়ী, বুনিয়াদি, চৌরার বাড়ী,বালিগাঁ, রানিজী, তুলাতলি মুছাপুর ফুলকন থেকে সাইদুল, সুমন ও তরিকুলের দাপটের সাথে ধুমধাম ফসলি জমির মাটি বিক্রি।
এদিকে সরকারি গেজেটে প্রকাশিত মাটির ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ ও হ্রাসকরণ ২০১৩ সালের ৫৯ নং আইনের ৫ ধারা অনুযায়ী কোন ব্যক্তি ইট প্রস্তত করার উদ্দেশ্যে কৃষি জমি হতে মাটি কাটা বা সংগ্রহ করে ইটের কাচাঁমাল হিসাবে ব্যবহার করতে পারবে না। আইন থাকলেও প্রশাসনের সামনেই চলছে ধুমধাম ফসলি জমির মাটি কাটা।
সরজমিনে গিয়ে মাটি খেকো কাউকেই না পাওয়া গেলে কল করলে মাটি খেকো তরিকুল ইসলাম বলেন এরকম অনেক সাংবাদিকই আসে আপনি কোন চ্যানেলের সাংবাদিক অফিসে আইসেন দেখা কইরেন,  ফসলি জমির মাটি বিক্রি অপরাধ এবিষয়ে বার বার প্রশ্ন করলে এড়িয়ে যায়
নাম বলতে অনিচ্ছুক স্থানীয় এক মুরুব্বি বলেন মাটি খেকোদের কারনে আমরা অতিষ্ঠ হয়ে পরেছি, কিছু বললেই কিশোর গ্যাং দিয়ে হুমকি ধামকি দেয়,  আমাদের বাপ দাদার ফসলি জমি থেকে  আমরা এক সময় ধুম-ধাম করে ধান নিয়ে আসতাম এখন শুধুই স্মৃতি। স্থানীয় প্রশাসনের কাছে  আমাদের এলাকাবাসীর চাওয়া মাটি খেকোদের আইনের আওতায় এনে উপযুক্ত শাস্তি দাবি করছি।
এবিষয়ে মুছাপুর ইউনিয়ন চেয়ারম্যান মাকসুদ মিয়াকে একাধিক বার কল করেও পাওয়া যায়নি ফোনে।
প্রয়োজনে
মাটি খেকো তরিকুল ইসলাম
 01858-392952
এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা