1. admin@upokulbarta.news : admin :
মঙ্গলবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৪, ০২:২০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
পদত্যাগ করলেন সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলার খাজরা ইউপি চেয়ারম্যান শাহনেওয়াজ ডালিম পাঁচ দিন পর শুরু হলো সাতক্ষীরার ভোমরায় আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের ইবিএ প্রকল্পে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ প্লাস্টিকের ভিড়ে বিলুপ্ত ঐতিহ্যবাহী মৃৎশিল্প লালমোহনে ছলিমউদ্দিন তালুকদার ফাউন্ডেশনের ঈদ পুর্নমিলনী অনুষ্ঠিত শেখ হেলাল উদ্দীন সরকারি কলেজে বর্ণাঢ্য আয়োজনে বর্ষবরণ উৎসব উদযাপন তন্বীর প্রেমে পড়ে ঢাকার সুবর্ণা মোংলায় কুমিল্লার মহেশপুর শাহী ঈদগাহে নামাজ অনুষ্ঠিত বোরহানউদ্দিনের তিন গ্রামে ঈদুল ফিতর অনুষ্ঠিত বিধবা নারীকে ঘর করে দিলেন সমাজসেবক রাজিব হায়দার

ভোলায় বিচারপ্রার্থীদের জন্য ন্যায়কুঞ্জ নামক বিশ্রামাগার নির্মান কাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন

সহকারী সম্পাদকঃ
  • আপডেট সময় : শনিবার, ৩ জুন, ২০২৩
  • ১৪৩ বার পঠিত

আশিকুর রহমান শান্ত,ভোলা প্রতিনিধিঃ

যেকোন দেশের আইন মানুষ তৈরি করে মানুষের-ই জন্য। আর সেই আইন যদি মানুষকে যথাযত মূল্যায়ন করে তবেইতো মানুষ আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হবে”। ঠিক সেই মূল্যায়নের বিষয়টি অনুধাবন করেই বর্তমান প্রধান বিচারপতির উদ্যোগ ও সরকারের সদিচ্ছার প্রতিফলন স্বরুপ দেশের প্রতিটি জেলা ও দায়রা জজ আদালতে আসা বিচার প্রার্থীদের জন্য তৈরি হচ্ছে ‘ন্যায়কুঞ্জ’ নামক বিশ্রামাগার। তারই অংশ হিসেবে ভোলা জেলা ও দায়রা জজ আদালতের ‘ন্যায়কুঞ্জ’ নির্মান কাজের ভিত্তিপ্রস্থর স্থাপন করেন বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি মোহাম্মদ উল্লাহ।

শনিবার (৩ জুন) সকাল ১০ টায় এ উপলক্ষে এক আলোচনা সভার আয়োজন করেন ভোলা জেলা বিচার বিভাগ। ভোলা জেলা ও দায়রা জজ এ.এইচ.এম মাহমুদুর রহমান এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিচারপতি মোঃ উল্লাহ। সে তার বক্তব্যে বলেন, ভোলা জেলার বিভিন্ন দুর্গম চরাঞ্চলের বিচারপ্রার্থী মানুষ প্রতিদিন মামলার শুনানীতে অংশগ্রহণ করতে আসলেও আর্থীক সক্ষমতার দিক থেকে যারা দুর্বল তাদের কথা চিন্তা করে মাননীয় প্রধান বিচারপতি ৩৫ কোটি টাকা ব্যায়ে দেশের প্রতিটি জেলা আদালতে ‘ন্যায়কুঞ্জ’ নির্মান প্রকল্প হাতে নিয়েছেন। ভোলা জেলার চরফ্যাশন উপজেলার কৃতিসন্তান মোঃ উল্লাহ আরো বলেন, বিচার কাজে সংশ্লিষ্ট জজ সহ সকলের প্রতি অনুরোধ করছি যে,আপনারা বিচারপ্রার্থীদের কষ্ট লাঘবের বিষয়টি সর্বাগ্রে বিবেচনা করবেন। কেননা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর সুযোগ্য কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বর্তমানে ব্যায় সংকোচন নীতির মধ্যে চলা সত্বেও শুধু বিচারপ্রার্থীদের কষ্টের কথা চিন্তা করে এই প্রক্ল্পটি অনুমোদন দিয়েছেন। এখন এটি বাস্তবায়নের কাজ করতে হবে আমাদের সকলকে। জজ কোর্টের সহকারী জজ আব্দুল বাছিত এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভায় অন্যানের মধ্যে আরো বক্তব্য রাখেন ভোলা জেলা প্রশাসক মোঃ তৌফিক-ই-লাহী চৌধুরী, জেলা ও দায়রা জজ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মোঃ আনোয়ারুল হক, চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট শরীফ মোঃ ছানাউল হক,কোস্টগার্ড দক্ষিন জোন(ভোলা)’র কেপ্টেন মোঃ শহিদুল হক, পুলিশ সুপার মোঃ সাইফুল ইসলাম, সিভিল সার্জন ডাঃ কে এম শফিকুজ্জামান, জেলা লিগ্যাল এইড অফিসার ও সহকারী জজ সাব্বির মোঃ খালিদ, ভোলা জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি এ্যাডভোকেট মোঃ ছালাউদ্দিন হাওলাদার, জিপি এ্যাডভোকেট নুরুল ইসলাম নুরনবী ও সাধারন সম্পাদক এ্যাডভোকেট ইফতারুল হাসান শরীফ।

এ সময় ভোলা জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিচারপতিকে সম্মান সূচক ক্রেস্ট উপহার প্রদান করেন ভোলা জেলা প্রশাসক। আলোচনা শেষে কোর্ট চত্বরের পশ্চিম প্রান্তে ‘ন্যায়কুঞ্জ’ নাম ফটকের পদ্মা উন্মোচন করার মাধ্যমে নির্মান কাজের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করেন বিচারপতি। এ সময় তিনি ন্যায়কুঞ্জের পাশেই একটি লিচু গাছের চারা রোপন করেন এবং দোয়া মোনাজাতে অংশগ্রহণ করেন। পুরো আয়োজনে অন্যান্যের মধ্যে আরো উপস্থিত ছিলেন হাই কোর্টের যুগ্ম রেজিস্টার হাসান মোঃ আরিফ উর রহমান, ভোলার অতিরিক্ত চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট অসীম কুমার দে সহ জজ কোর্টের সকল স্তরের বিচারক গণ, ভোলা গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী এস এম মুসা, এনডিসি মোঃ আবু সাঈদ, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ আরাফাত হোসাইন, জজ কোর্টের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা- কর্মচারী গণ ও সিনিয়র আইনজীবী এবং বিভিন্ন মিডিয়ার সাংবাদিক বৃন্দ।

এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা